পায়ু পথ থেকে ১ কোটি টাকার স্বর্ণের বার উদ্ধার

হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আবারও দুই যাত্রীর কাছ থেকে এক কোটি টাকা স্বর্ণ উদ্ধার হয়েছে। এরমধ্যে সম্রাাট নামে এক যাত্রীর পেট থেকে ১৫টি স্বর্ণবার উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ইমিগ্রেশন এলাকা থেকে তাকে আটক করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর।

গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মোঃ তারেক মাহমুদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ভোর ৬টায় মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর থেকে বিজি ০৮৭ প্লেনে শাহজালাল বিমানবন্দরে আসেন যাত্রী সম্রাট। তার গ্রামের বাড়ি বিক্রমপুর- মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়িতে। তিনি ফ্লাইট থেকে নেমেই সম্রাট হ্যান্ডক্যারির ব্যাগটি নিয়ে ইমিগ্রেশনের দিকে রওয়ানা হয়। তবে এ প্লেনে স্বর্ণ আসছে আগেই শুল্ক গোয়েন্দাদের কাছে এমন তথ্য ছিল। তাই ফ্লাইটের সব যাত্রীর ওপরই নজর রাখছিলেন তারা। সম্রাট ইমিগ্রেশনের দিকে রওনা হলেই সন্দেহ হয় গোয়েন্দাদের। তাকে আটক করে শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ। প্রথমে স্বর্ণ থাকার বিষয়টি অস্বীকার করলেও সন্তুষ্ট হতে পারলেন না গোয়েন্দারা। এক্সরে আর অপারেশনের ভয় দেখানো হয় সম্রাটকে। শেষমেষ হাসপাতালে নেয়া হয়। এক্সরে করার পর দেখা গেল। কিছু একটা আছে। পরে কাস্টমসে এনে ঢোকানো হয় টয়লেটে। বেরসিক গোয়েন্দাদের সামনে সম্রাট প্রসব করলেন একে একে ১৫টি স্বর্ণবার। যার ওজন দেড় কেজি। অবাক কর্মকর্তারা। কিভাবে সম্ভব!

এদিকে একই ফ্লাইটে মালয়েশিয়া থেকে আগত এসএম ভূঁইয়া আরেক যাত্রীকে আটক করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। তার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার কচুয়ার। একই কায়দায় ব্যাপক গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদ যাত্রী এসএম ভূঁইয়ার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী জব্দ হল ৫৫০ গ্রাম স্বর্ণ। অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মোঃ তারেক মাহমুদ জানান, দু’জনের থেকে জব্দ করা মোট স্বর্ণের পরিমাণ দু’কেজি ৫০ গ্রাম। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় এক কোটি টাকা। পরে দু’জনকে বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এর আগে গত ১৩ মে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আবু বক্কর নামে দুবাই থেকে আগত এক যাত্রীর পায়ুপথে বহন করা আটটি স্বর্ণবার আটক করেছিলো ঢাকা কাস্টমস।

জনকন্ঠ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.