টঙ্গীবাড়ীতে বখাটেদের ভয়ে পড়ালেখা বন্ধ দুই বোনের

টঙ্গীবাড়ীতে বখাটেদের ভয়ে বাড়ি থেকে বের হতে পারছেনা কলেজ ও স্কুল পড়ুয়া দুই বোন। তাদের ধাওয়ায় এবার এইসএসসি ফাইনাল পরীক্ষার শেষ দিনে কৃষি বিজ্ঞান বিষয়ের শেষ পরীক্ষাটি দিতে কেন্দ্রে যেতে পারেনি বিটি কলেজের ছাত্রী ইয়ানুর আক্তার অধরা (১৮)।

উপজেলার বড়লিয়া গ্রামের মোতালেব শিকদারের দুই মেয়ে ইয়ানুর আক্তার অধরা ও শিরিন আক্তার (১৬)। শিড়িন টঙ্গীবাড়ী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্রী।

এলাকা সূত্রে জানা গেছে, মোতালেব শিকদার (৬০) ১০ বছর আগে পদ্মার নদী ভাঙ্গন এলাকা থেকে এসে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে বড়লিয়া গ্রামে জমি কিনে বসবাস করছেন।

অধরা ও শিড়িন জানায়, কলেজ ও স্কুলে যাওয়ার পথে ওই এলাকার প্রভাবশালী হাবিব ঢালীর বখাটে পুত্র জনি (২৩), জসীম (২৫) ও কাবিলা ঢালীর ছেলে রাসেল (২৪) সহ কয়েকজন মিলে প্রায়ই তাদের গতিরোধ করে প্রেমের প্রতিশ্রুতি আদায় করতে চেষ্টা করে। এ ঘটনায় এলাকায় কয়েকবার সালিশ বৈঠক হলে বখাটেরা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। এ বছর এইচএসসির শেষ পরীক্ষা দিতে বাড়ি থেকে রাস্তায় বের হলে বখাটে জনি রামদা নিয়ে অধরাকে ধাওয়া করে। অধরা ভয়ে দৌড়ে বাড়িতে এসে ঘরে ঢুকে দরজা লাগিয়ে চিৎকার দেয়। বাবা মোতালেব ও মা ফাতেমা বেগম (৫৫) এর প্রতিবাদ করলে দুজনকে মারপিট করে আহত করলে তাদের মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় মুন্সিগঞ্জ জুডিসিয়াল আদালতে মামলা করলে বিচারক তার তদন্তভার টঙ্গীবাড়ী থানায় পাঠালেও কোন অগ্রগতি হচ্ছে না বলে জানান মামলার বাদী মোতালেব শিকদার। মামলা হওয়ার পরে বখাটেদের উৎপাত আরো বেড়ে যাওয়ায় অধরা ও শিরিনের কলেজ ও স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়।

এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সাখাওয়াত জানান, তদন্ত শেষ হলে কোটে প্রতিবেদন পাঠানো হবে।

ক্রাইম ভিশন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.