মুন্সীগঞ্জে নিখোঁজ ৩৯ জনের ৩৮ জনেরই খোঁজ মিলেছে

মুন্সীগঞ্জে নিখোঁজের তালিকায় ছিল ৩৯ জন। এর মধ্যে ৩৮ জনেরই খোঁজ মিলেছে। বাকী একজনেরও সন্ধান পাওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। এছাড়া পদ্মা সেতুতে বিশেষ নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের ২য় মেঘনা-গোমতী সেতু প্রকল্পে। সোমবার জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এই তথ্য জানান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট একেএম শওকত আলম মজুমদারের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন সিভিল সার্জন ডা. শহিদুল ইসলাম, অধ্যাপক সুখেন চন্দ্র ব্যানার্জী, সরকারী হরগঙ্গা কলেজের উপাধ্যক্ষ সাহেদুল কবির,টঙ্গীবাড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার কাজী ওয়াহিদ, জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক কুতুবউদ্দিন আহম্মেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জামাল হোসেন, ক্যাব সভাপতি জাহাঙ্গীর সরকার মন্টু, প্রেসক্লাব সভাপতি মীর নাসিরউদ্দিন উজ্জ্বল, অ্যাডভোকেট গোলাম মাওলা তপন, শম কামাল হোসেন প্রমুখ। সভায়, জঙ্গীবাদ ও নাশকতাসহ সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন স্ব স্ব এলাকার পরিস্থিতি তুলে ধরে ছয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ এবং জেলা পর্যায়ের সরকারী সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধানগণ। সভায় মাদ্রাসাসহ সব শিক্ষালয়গুলোতে জাতীয়, পতাকা নিয়মিত উত্তোলন, সাঙ্গীত এবং দেশজ সাংস্কৃতি চর্চা এবং পবিত্র কোরআন শরীফের বাংলা মর্মবাণী চর্চার উর গুরুত্বারোপ করা হয়। সন্ধার পরে কোনভাবেই শিক্ষার্থীরা ঘরের বাইরে না থাকার বিষয়ে সর্বসম্মতি সিদ্ধান্ত গৃহত হয়। স্বস্ব এলাকার জনপ্রতিনিধিরা বিষয়টি মনিটরিং করবেন।

এছাড়া করাগারে হাজতীর মৃত্যু, চরবলাকীতে সংঘর্ষে তিন জন নিহত এবং দু’জন নিখোঁজ, শ্রীনগরের যুবকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার, প্রেমের টানে ঘর পালানো কলেজ ছাত্রী ইরা, অপহৃত স্কুল ছাত্রী টুম্পা ঘোষ উদ্ধার, শ্রীনগরে কবুতর খোলা, চারিপাড়া এবং মান্দ্রা এলাকায় বালু লুট, তালতলা-ডহরী খাল খনের নামে বালু লুট, স্বাভাবিক গ্যাস সরবরাহ না হওয়া, সিলিমপুরে মন্দির কম্পাউন্ডের ঘর গুড়িয়ে দেয়া এবং শিমুলিয়া ঘাটে স্পিটবোডের অতিরিক্ত অড়া আদায় এবং এই চক্রের হাতে সাংবাদিক তরিকুল আহত ও শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি ফেরি চলাচলে বিঘেœ দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় সচেতনতা সামাজিক নিরাপত্তা বলয় গতে তোলার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, নিখোঁজ তালিকায় যারা ছিলেন, কেউই জঙ্গীবাদের সাথে সম্পৃক্ত নয়। পুলিশ সর্বত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে সকলের সন্ধান পেয়েছে। তবে এখন একজনের সন্ধা পাওয়া বাকী রয়েছে। তবে তাও সময়ের ব্যাপার মাত্র। এছাড়াও জেলা গুরুত্বপূর্ণ সকল স্থানে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাসহ সচেতনায় প্রচারপত্র বিলি, সভা-সমাবেশসহ নানা কর্মকান্ড চলছে।

জনকন্ঠ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.