রিসোর্ট: মুন্সীগঞ্জের রিসোর্টগুলোতে বাড়ছে দর্শনার্থীদের ভিড়

মোজাম্মেল হোসেন সজল: জেলার রিসোর্টগুলোতে দর্শনাথীরা আসতে শুরু করেছেন। ঈদের পরদিন থেকে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ছে। মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে এম জে হলিডে রিসোর্ট, লৌহজংয়ে পদ্মার চরে পদ্মা রিসোর্ট ও মাওয়ায় মাওয়া রিসোর্টে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঈদের আনন্দ উপভোগ করছেন দর্শনার্থীরা, আসছে বিদেশি পর্যটকরাও।

সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরা এলাকার গ্রামের পথ পেরিয়ে পশ্চিম ইছাপুরা গ্রামে সাড়ে ৮ একর বিশাল জমির উপর রয়েছে এম জে হলিডে রিসোর্ট। এই রিসোর্টটি এক মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক পরিবেশে আচ্ছন্ন। সুইমিং পুল, খেলার মাঠ, পুকুর, সংগীত পরিবেশনের মঞ্চ, নাটক-সিনেমার সুটিংসহ নানা ধরণের বিনোদনের ব্যবস্থা রয়েছে এই রিসোর্টটিতে। মাত্র দুই বছর আগে গড়া এই রিসোর্টটিতে দিনদিন পর্যটকদের সংখ্যা বেড়েই। একমাত্র এই রিসোর্টেই রয়েছে তিনটি সুইমিং পুল। মুন্সীগঞ্জের অন্য রিসোর্টে সুইমিং পুলের সুবিধা নেই।

লৌহজং থানা সংলগ্ন পদ্মার বিস্তৃত চরজুড়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপরূপ নিদর্শন পদ্মা রিসোর্ট। এ রিসোর্টে দিনদিন পর্যটন বাড়ছে। পদ্মা রিসোর্ট দেখলে মনে হবে চরে যেন সেন্টমার্টিন দ্বীপ জেগে আছে। সাড়ে তিনশ’ শতাংশ জমির বিশাল বিস্তৃত চরে প্রকৃতির এক অপার সৌন্দর্য নিয়ে পদ্মা রিসোর্টের কটেজগুলো (কুড়েঘর) নির্মাণ করা হয়েছে। নদীরপাড় সংলগ্ন পদ্মা নদীঘেরা চরের মধ্যে কুড়েঘর ও প্রাকৃতিক পরিবেশ পদ্মা রিসোর্টকে মনোমুগ্ধকর করে রেখেছে। লৌহজং থানা সংলগ্ন স্থান থেকে ট্রলারে বা স্পিডবোটে পদ্মার ছোট একটি নদী পাড়ি দিয়েই পদ্মা রিসোর্ট।

লৌহজংয়ের মাওয়ায় রয়েছে ৬৫ বিঘা জমির উপর মাওয়া রিসোর্ট। বিশালাকার পুকুর আর গাছগাছালি ঘেরা এ রিসোর্টটি। মুন্সীগঞ্জের এই তিনটি রিসোর্টেই থাকা-খাওয়া, সভা-সমাবেশ, বনভোজনহ সব ধরণের ব্যবস্থা রয়েছে। ঢাকা থেকে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক হয়ে এক থেকে দেড়ঘণ্টার মধ্যে রিসোর্টগুলোতে আসা যায়। যারা কটেজে রাতে ও দিনে থাকতে চান তাদের আগেই বুকিং দিয়ে কনফার্ম করে আসতে হয়।

ঢাকা, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা দর্শনার্থীরা জানিয়েছেন, রিসোর্টটি একেবারে গাছগাছালী-বনায়ণে ভরা প্রাকৃতিক পরিবেশে মনোমুগ্ধকর করে রেখেছে। এনজয় করার জন্যও খুব ভালো। পরিবেশও ভালো। খরচও কম।

সিরাজদিখানের এম জে হলিডে রিসোর্টের পরিচালক মিয়া আব্দুল মোমিন রিসোর্টে দর্শনার্থীদের বিনোদনের নানা সুযোগ-সুবিধার কথা জানালেন।

তিনি বলেন, এই রিসোর্টে সিনেমা-নাটকের শুটিং হচ্ছে। লালনের উপর অনুষ্ঠান হয়। এম জে হলিডে রিসোর্ট নামে ফান ক্লাবের নামে বছরে ৩-৪টি প্রোগাম হয়। ৩টি সুইমিং পুল, ৪টি পুকুর, কনফারেন্স হল এবং থাকা-খাওয়ার সুযোগ-সুবিধা রয়েছে এই রিসোর্টে।

পূর্ব পশ্চিম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.