সিরাজদিখানে বাড়ীতে হামলা-ভাঙচুর ও লুট,আতংকে গ্রাম ছাড়া পরিবার

নাছির উদ্দীনঃ সিরাজদিখানে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিক্ষের হামলায় একটি পরিবারের বাড়ীতে হামলা ও ভাংচুর ও লুটপাট চালানোর অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার লতব্দী ইউনিয়নের গত বুধবার নতুন ভাষানচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হামলাকারি আব্দুল হামিদ মীর (রুকুল মীর) পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ায় ভয়ে ঘর ছেড়ে অন্যত্র নিরাপদ স্থানে চলে গেছে পরিবারের সদস্যরা। গত শুক্রবার একটি বিবাহ অনুষ্ঠান হওয়ার তাখির থাকলেও বাড়ীতে অনুষ্ঠান করতে পারেনি ভূক্তভুগীরা।

জানা যায়, ভাষানচর গ্রামের মাজেদ মোল্লার সাথে দীঘদিন যাবৎ একই গ্রামের আব্দুল হামিদ মীরের (রুকুল মীর) সাথে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। কিছুদিন আগে স্থানীয় ভাবে সমাধান করা হয়ে ছিল। বিরোধপূন জমিতে ৪ ই এপ্রিল বুধবার সকালে আব্দুল হামিদ মীর (রুকুল মীর) মাটি কাটতে গেলে মাজেদ মোল্লা বাধা দিলে রুকুল মীরের লোকজন মাজেদ মোল্লার বাড়ী ঘর ভাঙচুর হামলা চালায়। ইউপি চেয়ারম্যান বিষয়টি সমাধানের কথা বলে ভূক্তভুগীদের শান্তনা দেওয়ার পর হামলাকারীরা দফায় দফায় বাড়ীতে হামলা চালায়। বাড়ীতে হামলা চালিয়ে ঘর, বাড়ী, বিল্ডিং ভেঙ্গে তচনচ করে হয়। ভূক্তভুগীদের একাধিককার থানায় অভিযোগ করতেও আসলেও অভিযোগ দিতে পারেনি বাধা প্রদান করা হয়েছে বলে। রুকুলমীরের হামলার কারণে মাজেদ মোল্লার বাড়ীর লোকজন প্রাণভয়ে বাড়ী ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেয়।

ভুক্তভুগী মাজেদ মোল্লার ভাই জহিরুল হক মোল্লা জানান, রুকুল মিয়ার লোকজন আমার ভাইয়ের বাড়ী ঘর,ঘরের আসবাপত্র ভাংচুর করেই ক্ষান্ত হননি আমার ভাইকে বাড়ীতে আসতে দিতেছেনা ,প্রানের ভয়ে আমার ভাই তার পরিবারসহ পালিয়ে বেড়াচ্ছে । থানায় অভিযোগ করতে গেলে আমাদের চেয়ারম্যান সাহেব বলেন, মামলা করার দরকার নেই আমি বসে বিষয়টি সুরাহ করব ।

অভিযুক্ত রুকুল মীর জানান, ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার এলাকাবাসী বিচার করার পর আমি আমার জমিতে গেলে পূর্ব পরিকল্পনা করে মাজেদ মোল্লা তার লোকবল নিয়ে আমার উপড় হামলা চালায়। আমার লোকজন তার বাড়ীতে হামলা করছে কিনা আমার জানা নেই ।’

লতব্দী ইউপি চেয়ারম্যান এসএম সোহরাব হোসেন বাড়ী-ঘর ভাঙচুরের ঘটনা স্বীকার করে বলেন, রুকলমীরকে মারধর করার পর তার লোকজন ভাঙচুর করেছে বিষয়টি জেনেই আমি শুক্রবার দু’পক্ষকে মিমাংশার জন্য তারিখ নির্ধান করলে মাজেদ মোল্লা বিচারে আসবে না বলে জানায়।

সিরাজদিখান থানার ওসি আবুল কালাম জানান, বিষয়টি আমি অবগত ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিষয়টি মিমাংশ করবে বলে আমাকে জানিয়েছে আর মাজেদ মোল্লা পালিয়ে বেড়াচ্ছো এরকম কথা আমার জানা নেই ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.