টঙ্গীবাড়ি কাঠাদিয়া গ্রামে যুবকের আত্মহত্যা রহস্যে ঘেরা

টঙ্গীবাড়ি কাঠাদিয়া গ্রামে জুয়েল (৩০) আত্মহত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জুয়েলের পিতা হোসেন মাদবর। জুয়েলের পিতা দুই বিয়ে করেছেন। জুয়েলের মা গাজীপুর থাকেন। স্ত্রী ও ২জন ছোট মেয়ে নিয়ে ছিল জুয়েলের সংসার। স্থানীয় লোকজন জানায়, জুয়েল দীর্ঘদিন যাবৎ ভাং সেবন করতো। কয়েক মাস পূর্বে ঘরে আগুন লাগানো হয়েছিল। তাতে মটর সাইকেল ও ঘরের আসবাব পত্র পুড়ে যাওয়ার দৃশ্যও বাড়িতে পাওয়া গেছে।

জুয়েলের বোন স্বপ্না জানান, জানালার ফাঁক দিয়ে দেখতে পেয়েছেন তার ভাই গলায় ফাঁস দিয়েছে। তাড়াতাড়ি ভেড়া কেটে প্রবেশ করে তাকে দ্রুত নামিয়ে ফেলেন এবং পানি খেতে দেন। পরবর্তীতে সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

এলাকায় চাউর হচ্ছে মাদক সেবন করাকে কেন্দ্র করে ভাই বোন ও বাবার সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ সমস্যা চলে আসছিল। সকালেও জুয়েলের সাথে তাদের ভাই, বাব ও বোনদের সাথে ঝগড়া হয় মঙ্গলবার সকাল ৮.৩০টার দিকে। পরবর্তীতে সে আত্মহত্যা করে।
ঐ বাড়িতে গিয়ে মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় দেখা যায় লাশ উঠানে শোয়ানো রয়েছে পুলিশ লাশের পোশ মার্টাম করছে। তাৎক্ষণিক

যে ঘরটিতে জুয়েল ফাঁসি দিয়েছে সে ঘরটিতে তার কোন আলামত পাওয়া যায়নি। জুয়েলের গলার দাগটিও উল্টোদিকে। তার জিহ্বা বের হয়নি, ফাঁসের স্থানে কোন ধরনের প্র¯্রাব বা পায়খানা করেনি। স্বাভাবিক মৃত্যুর মতোই তার মৃত্যু হয়েছে এমনটিই লাশ দেখে সাধারণ জনগণ মন্তব্য করেছেন। মৃত্যুর পর পরই মহসিন মাদবর পলাতক রয়েছে। বোন স্বপ্না, বাবা হোসেন মাদবর, সৎ মা রয়েছে।

উপস্থিত কেউ কেউ ধারণা করছে মাদক খাওয়া ও ক্রয় বিক্রয় নিয়ে হত্যা হতে পারে।

টঙ্গীবাড়ি থানা পুলিশ লাশ উদ্ধারের ঘটনা স্বীকার করে বলেন, ময়না তদন্তের পরেই বুঝা যাবে জুয়েল আত্ম হত্যা করেছে না তাকে হত্যা করা হয়েছে। থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

মুন্সিগঞ্জ নিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.