লৌহজংয়ে রুমাকে গলাটিপে হত্যা করা হয়

ফরেনসিক রিপোর্ট
লৌহজং উপজেলার বেজগাঁও ইউনিয়নের ছত্রিশ গ্রামের গৃহবধূ রুমা বেগম (৩২) গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেনি বলে মুন্সীগঞ্জ হাসপাতাল মর্গের ফরেনসিক বিভাগ জানিয়েছে। ফাঁসিতে ঝুলানোর আগে রুমাকে বালিশ চাপা ও গলাটিপে হত্যা করা হয়েছে। লাশের গলায় নখের আঁচরের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রতিবেশীরা জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরে প্রতিনিয়ত রুমাকে নির্যাতন করতেন তার স্বামী সাগর।

গত শুক্রবার রাতে রুমার সঙ্গে মোবাইল ফোন নিয়ে সাগরের বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সাগর তার বোন পদি ও তার বোন জামাই নুরুল ইসলাম রুমাকে পিটিয়ে আহত করে। শনিবার বিকালে রুমার ঘর থেকে সাগর ও নুরুল ইসলামকে বের হতে দেখে প্রতিবেশীরা। এরপরই রুমার ছেলে সৈকত ঘরে ঢুকে দেখে তার মা গলায় ওড়না দিয়ে ঘরের বেড়ার সঙ্গে ঝুলে আছে। রুমার পরিবার ও প্রতিবেশীদের অভিযোগ সাগর ও তার বোন জামাই রুমাকে বালিশ চাপা দিয়ে ও গলাটিপে হত্যা করে লাশ ঘরের বেড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে চলে যায়। এই বিষয়ে লৌহজং থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহতের ভাই আমির হোসেন।

যুগান্তর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.