পরপুরুষের সাথে প্রায়ই রাত্রিযাপন করত প্রবাসীর স্ত্রী লাকী!

স্বামী কুয়েত প্রবাসী, ৭ বছরের একটি ছেলে আছে তার। তবুও কথায় আছেন না ‘কয়লা ধুইলে ময়লা যায় না’। এমনই হচ্ছে লাকী আক্তার রিমার অবস্থা।

স্বামী বিদেশ যাবার পর প্রায়শই একাধিক ছেলের সাথে অসামাজিক কার্যকলাপে মেতে উঠত রিমা। অবশেষে অবৈধ মেলামেশাকালে রিমাকে আপত্তিকর অবস্থায় পরকীয়া প্রেমিকসহ হাতেনাতে আটক করল শ্বশুর বাড়ীর লোকজন ও স্থানীয়রা।

গত শনিবার (১৮ মে) রাত দু’টায় মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বালুরচর ইউনিয়ন খাসকান্দি মার্কেট পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এরপর গ্রামবাসী দুই প্রেমিক-প্রেমিকা যুগলকে আটকের পর পুলিশে সোপর্দ করেছে।

আটক মোঃ রিমন (২২) কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানার শার জাহানের ছেলে বর্তমানে তারা কেরানীগঞ্জ রসুলপুর (আলী মোহাম্মদের বাড়ীর ভাড়াটিয়া)। অপরজন বালুর চর ইউনিয়নের খাসকান্দি মার্কেট পাড়ার কুয়েত প্রবাসীর স্ত্রী মোসাঃ লাকী আক্তার রিমা (২৫)। তার একটি ৭ বছরের ছেলে সন্তান রয়েছে।

জানা যায়, গত শনিবার দিবাগত রাতে আনুমানিক ২টার সময় উপজেলার বালুরচর ইউনিয়ন ২নং ওয়ার্ডের খাসকান্দি মার্কেট পাড়ায় মোসাঃ লাকী আক্তারের শশুর বাড়ীর নিজ ঘরে আনাগোনা টের পেয়ে আপত্তিকর অবস্থায় শ্বশুর বাড়ী ও স্থানীয়রা তাদের উভয়কে আটক করে। ঘটনাটি এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

এলাকাবাসী জানান, বাউল বাড়ীর ঐ প্রবাসীর বউয়ের ব্যাপারে এলাকাবাসীর আগের থেকেই বিভিন্ন খারাপ দিক রয়েছে। একাধিক ছেলের সাথে এই লাকী আক্তারের অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। লাকীর স্বামী বাংলাদেশে থাকাকালীন বউয়ের চারিত্রিক রঙ ঢং নিয়ে বহুবার পারিবারিক কোন্দলে জড়িয়েছেন। স্বামীকে রেখে সময়ে অসময়ে বাহিরে চলে যাওয়া দিনভর পরপুরুষের সাথে ঘুরাফেরা নিয়েও প্রায় ঝগড়া বিবাদ হয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী।

এলাকাবাসী আরো জানান, স্বামী কুয়েতে যাবার পরে একাধিক ছেলেরা বিভিন্ন সময়ে তার বাড়ীতে আসতো। রাত্রিযাপন করতো।

লাকী আক্তারের স্বামী বাড়ীর একজন জানান যে, এতোদিন আমরা কিছু বলিনি কারন একটা ৭ বছরের ছেলে আছে কিন্ত এখন মাত্রার বাহিরে চলে যাওয়ায় ধরে পুলিশে দিয়ে দিয়েছি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাদের মধ্যে বহুদিনের পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠেছিল। তাদের এ গোপন অনৈতিক পরকীয়ার সম্পর্কটি অক্ষুন্ন ছিল। ঘটনার রাতে মোঃ রিমনকে বাড়িতে ডেকে আনে লাকী আক্তার। এদিকে আগে থেকে সতর্ক থাকা শ্বশুর বাড়ীর লোকজন তাদের আপত্তিকর অবস্থায় আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য আলহাজ্ব আমজাদ হোসেন জানান, তাদেরকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরার পর ঘরে আটক করে রাখে। পরে বাউল বাড়ীর লোকজন আমাকে খবর দেয় এবং রাতেই আমাকে নিয়ে যায় তাদের বাড়িতে অবশেষে থানা পুলিশকে বিষয়টি জানালে রবিবার দিন তাদের সিরাজদিখান থানা পুলিশ নিয়ে যায়।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সিরাজদিখান থানার এস আই মোহাম্মদ মুতালেব হোসেন জানান, তাদের আটক করে কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে আইনগত ভাবে যা হয় তাদের তাই হবে।

বিডি২৪লাইভ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.