মুল সাইটে যাওয়ার জন্য ক্লিক করুন

পাঠক সংখ্যা

  • 9,420 জন

বিভাগ অনুযায়ী…

পুরনো খবর…

সিরাজদিখানে বাদুর বিলুপ্তির পথে

গ্রাম বাংলার অতি পরিচিত এক নাম বাদুর। গ্রামের নিস্তব্ধ ও বড় ঝোপ বিশিষ্ট গাছগুলোতে এদের দেখা যেত। কিচির মিচির ডাক, কখনোবা রাতের আকাশেও ঝাক বেধে উড়তে দেখা যেত। এখনকার অবস্থাটা ভিন্ন। নানা কারণে বাদুর আজ বিলুপ্তির পথে। কয়েক বছর আগেও হাজার হাজর বাদুর দেখা যেত। সে তুলনায় এখন আর দেখা জায় না। শিকারীর উপদ্রপ, বনভূমি ধ্বংসই বাদুর বিলুপ্তির কারণ।

জানা যায়, বাদুর একটি স্তন্যপায়ী প্রাণী যা পাখার সাহায্যে আকাশে উড়তে সক্ষম। বাদুর কোন পাখি নয়, এটি পৃথিবীর একমাত্র উড্ডয়ন ক্ষমতা বিশিষ্ট স্তন্যপায়ী প্রাণী। পৃথিবীতে প্রায় ১১০০ প্রজাতির বাদুর রয়েছে। এর মধ্যে ২০ভাগ স্তন্যপায়ী ও ৭০ভাগ পতঙ্গভূক (পোকা-মাকড় খায়) আর বাকিরা ফল-মূল খেয়ে থাকে।

বাদুর একটি নিশাচর প্রাণী। দিনের বেলায় তাদের বিচরণ কম থাকলেও রাতের বেলায় তারা খাবারের সন্ধানে বের হয়। দিনের আলোতে গাছের মগডালে উল্টো হয়ে ঝুলে থাকে। এদের দৃষ্টিশক্তি অত্যন্ত কম। তারা শ্রবন শক্তির উপর নির্ভর করে চলাফেরা করে। তবে বিলুপ্তি প্রায় বাদুর গুলো মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের রাজদিয়া গ্রামের নিত্য মাষ্টারের বাড়ির করই গাছে দেখা যায়।

উপজেলার গোবরদী গ্রামের হাজেরা বেগম বলেন, ১০ বছর আগেও বাদুরের উপদ্রবে গাছের ফলমূল রাখা যেত না। বাড়ির আঙ্গিনায় বড় বড় গাছের উপরের ডালে মুখ নিচের দিকে দিয়ে ঝুলে থাকতে দেখতাম। এখন আর দেখি না।

ইছাপুরা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন হাওলাদার বলেন, বাদুর এখন দুর্লব প্রাণী। আমার ইউনিয়নে করই গাছে এত সুন্দর বাদুরের ঝাক, দেখতে অনেক সুন্দর লাগছে। আগের মত জোপ-ঝাড় ও ফল গাছ না থাকায় এখন আর আগের মত বাদুর দেখা যায় না। আগে হিন্দুরা অনেক ফল বৃক্ষ রোপন করত। এখন তারাও নাই ফল গাছও কম।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো.মিজানুর রহমান বলেন, বাদুর একটি নিশাচর প্রাণী। এরা কৃষির কোন ক্ষতি করে না বরং উপকারী করে। এরা রাতে খাবারের জন্য বের হয়। তিনি আরো বলেন ইদুর তাদের প্রধান খাদ্য পাশাপাশি এরা ফল ও বড় ধরনের পোকা মাকর খায়।

আমার সংবাদ

Leave a Reply

You can use these HTML tags

<a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

  

  

  

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.