মুল সাইটে যাওয়ার জন্য ক্লিক করুন

পাঠক সংখ্যা

  • 9,716 জন

বিভাগ অনুযায়ী…

পুরনো খবর…

মুন্সীগঞ্জে নিরাপত্তা কর্মী খুনের রহস্য উদঘাটন

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় নিরাপত্তা কর্মী খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে গজারিয়া থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলার শৈলদাহ গ্রামের মৃত উকিল উদ্দিনের ছেলে কাজী জয়নাল (৫৬) ও গজারিয়ার চর বাউশিয়া গ্রামের খোরশেদ মিয়ার ছেলে রবিউল আউয়াল (২২)।

শুক্রবার (৫ জুলাই) দুইজনের মুন্সীগঞ্জ আদালতে ১৬৪ ধারায় তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

কাজী জয়নাল ও রবিউল তাদের স্বীকারোক্তিতে বলেছেন, গত মাসে শফিকুলের মোবাইল ফোন চুরি হয়েছিল। কর্মস্থল (ব্যারাক) থেকে তাঁর সহকর্মী নিরাপত্তা প্রহরী কাজী জয়নালকে চুরির বিষয়ে সন্দেহ করা হয়েছিল। এ নিয়ে শফিকুলের সঙ্গে জয়নালের কথা কাটাকাটি হয়েছিল।

এরই জেরে মঙ্গলবার (২ জুলাই) শফিকুল ইসলামকে মোনায়েম কারখানার পেছনেই ঝোপের মধ্যে শ্বাসরোধ করে। পরবর্তীতে পাশের কুমারী নদীতে তার মরদেহ ফেলে দেওয়া হয়। এই হত্যাকাণ্ডটি দুইজনে মিলেই করেছে বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছে তারা।

এর ঘটনায় বুধবার (৩ জুলাই) দুপুর পৌনে ১২টায় নিরাপত্তা কর্মী শফিকুল ইসলাম (৩৪) এর মরদেহ পার্শ্ববর্তী কুমারী নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত শফিকুল ভোলা জেলা সদরের অফিসার পাড়ার মৃত মাওলানা মো. ইয়াসিনের ছেলে। সে উপজেলার আব্দুল মোনায়েম ইকোনমিক জোনের (অর্থনৈতিক অঞ্চল) নিরাপত্তা কর্মী হিসেবে কর্মরত ছিল।

খুনের ঘটনায় শফিকুলের ভাই এম এম তোহা বাদী হয়ে গজারিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় আসামিদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেই পুলিশ।

গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ জানান, এই হত্যাকাণ্ডে দুইজনই জড়িত ছিল। দুইজনকেই গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। শুক্রবার (৫ জুলাই) দুইজনের মুন্সীগঞ্জ আদালতে ১৬৪ ধারায় তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। পরে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়।

দৈনিক অধিকার

Leave a Reply

You can use these HTML tags

<a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

  

  

  

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.