মুল সাইটে যাওয়ার জন্য ক্লিক করুন

পাঠক সংখ্যা

  • 9,281 জন

বিভাগ অনুযায়ী…

পুরনো খবর…

শ্রীনগরে বৃষ্টির পানিতে কাঁচা রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার ষোলঘর ইউনিয়নের সদরামপুর ব্রিজ থেকে কালী বাড়ি লঞ্চঘাট পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তার বেহাল দশার কারণে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ইউনিয়নের সদরামপুর-কালীবাড়ি নামে পরিচিত ইট সলিংয়ের রাস্তাটি এখন মানুষের চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে ওই রাস্তার জজ মিয়ার বাড়ির মোড় থেকে লঞ্চঘাট কালী বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৫শ মিটারের একটি কাঁচা শাখা রাস্তাও রয়েছে। সামান্য বৃষ্টির পানিতে কাঁচা রাস্তাটি মানুষের চলাচলে একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এতে মানুষের জনদুর্ভোগ আরও কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ৯-১০ ফুট প্রস্থ ও প্রায় দেড় কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ইট বিছানো রাস্তাটি দীর্ঘদিনেও সংস্কার করা হয়নি। রাস্তার ইট উঠে গিয়ে যানবাহন ও মানুষের হাটা চলাফেরায় প্রায় অনুপযোগী ও বিপদজনক হয়ে উঠেছে। বৃষ্টির পানি জমে রাস্তায় কাঁদা মাটি ও বিভিন্নস্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। রাস্তার অনেকাংশে বালু ভর্তি বস্তা দিয়ে গর্তগুলো ভরাট করা হয়েছে। এতে করে বৃষ্টির দিনে মানুষের চলাফেরায় দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ষোলঘর ইউনিয়নের ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের বসবাসকারী ও বিভিন্ন কাজে কর্মে আসা মানুষের জন্য রাস্তাটি অতি গুরুত্বপূর্ণ। তাদের সহজতম যাতায়াত ব্যবস্থা এটি। এখানে প্রায় ৫ হাজার স্থায়ী মানুষের বসবাস রয়েছে। এছাড়াও উপজেলার খুব কাছাকাছি ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় প্রতিদিন এই এলাকার হাজার হাজার মানুষ অটোরিকশা, রিকশা ও মোটসাইকেলযোগে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই রাস্তা দিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে।

এ সময় স্থানীয় রিনা বেগম, আলমগীর হোসেন, সালাউদ্দিন তালুকদার, আশিশ কুমারসহ অনেকেই বলেন, দীর্ঘদিন যাবত রাস্তাটি সংস্কার করা হয়নি। রাস্তার ইট উঠে গেছে। এতে করে রাস্তায় হালকা যানবাহনও ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। মাঝেমধ্যে অটোরিকশা ও রিকশার চাকা রাস্তার গর্তে ফেঁসে যায় ও উল্টে যায়। এতে করে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন পথচারীরা। রাস্তাটি সংস্কারের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তারা।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলীর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাস্তা বেহালের সত্যতা স্বীকার করে তিনি বলেন, রাস্তাটি আরসিসি ঢালাই কাজের জন্য চেষ্টা চলছে। আশা করছি শীঘ্রই প্রথম দফায় রাস্তাটির ৫শ মিটার ঢালাইয়ের কাজ করা সম্ভব হবে।

দৈনিক অধিকার

Leave a Reply

You can use these HTML tags

<a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

  

  

  

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.