মুক্তারপুর সেতুর এপ্রোচ সড়কে বৃষ্টির পানিতে থৈ থৈ

তুষার আহাম্মেদ ও মোহাম্মদ শাহরিয়ার: বৃষ্টির মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে থাকে মুক্তারপুর সেতুর পশ্চিমপাড়ের প্রধান এই রাস্তাটি। মুলত এ সড়কের রাস্তাটি মুক্তারপুর সেতুর এপ্রোচ সড়ক হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। সেতুর পাড়ের এ রাস্তাটি এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এ রাস্তা দিয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলা শহর,

ঢাকা-নারায়নগঞ্জ ও জেলার অন্য পাঁচটি উপজেলায় যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে এ সড়ক পথটি। কিন্তু রাস্তাটি সারাক্ষণ পানিতে ডুবে থাকলে সেই পথে যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটছে সকলেরই। ডুবে থাকা রাস্তার পানি সরিয়ে ফেলার কোন পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না এখানে। এর সাথে জড়িত কর্তৃপক্ষ রহস্যজনক কারণে এ বিষয়ে নিরব ভূমিকা পালন করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মূল রাস্তার সিংহভাগ এলাকা পানি ডুবে থাকে এ বৃষ্টির মৌসুমে।

জলমগ্ন ডুবে থাকা রাস্তার পানি কোনভাবেই এখান থেকে সরে যাওয়ার কোন পথ না থাকায় এখানে পানি দিনভর থৈ থৈয়ে গাড়ি চলাচলে ঢেউয়ে ঢেউয়ে খেলা করতে থাকে সারাক্ষণ। পানিতে রাস্তাটির সিংহভাগ ডুবে থাকায় এ পথের পথচারিরা নানাভাবে অসুবিধার মধ্যে পড়ছে প্রতিদিনই। এমনই অভিযোগ উঠেছে পথচারিদের মাঝখান থেকে।

রাস্তার এপার থেকে ওপারে যাওয়ার সময় পথচারিরা গাড়ির ছিটকে দেয়া পানিতে অনেকেই ভিজে যায় বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এর ফলে পথচারিদের জামা কাপড় ভিজে যাওয়া ময়লা পানিতে নস্ট হয়ে যায়। প্রতিদিন এ ধরণের ঘটনা ঘটছে এখানে। নিরবে এ বিষয়টি হজম করে নিচ্ছে এই পথের চলাচলে পথচারিরা। অনেকেই আবার কাদা ছিটানো মাটি মিশ্রিত পানিতেও আবার একাকার হয়ে উঠেন কোন কোন সময়ে।

রাস্তাটিতে জলমগ্ন থাকায় রাস্তার নিচের অংশের পিচ উঠে গিয়ে সেখানে ছোট বড় নানা রকমের গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে। রাস্তার ডুবন্ত পানিতে পারাপারের সময় অনেকেই সেই গর্তের মধ্যে পড়ে গিয়ে ময়লা পানিতে একাকার হয়ে হয়ে যান।

পানিতে ডুবে থাকা অংশে উত্তর দিকে নারায়ণগঞ্জের সিএনজি স্ট্যান্ড রয়েছে। আর এর দক্ষিণ দিকে মাওয়া যাওয়ার সিএনজি স্ট্যান্ড আছে। তারপরে পানির শেষ অংশের পশ্চিম দিকে রয়েছে বিসিকে যাওয়ার প্রধান ফটক। দিনভর পানির থৈ থৈয়ের কারণে এ পথ দিয়ে অনেকেই হাটা চলা করতে পারছেনা ঠিকভাবে।

বেশি পানির দক্ষিণ দিকে একটি বড় সরো পানির পাইপ লাইন ও মাটির ঢিবি থাকায় এ রাস্তার পানি বর্তমানে কোথায়ও সরে যেতে পাড়ছে না বলে এখানকার লোকজন দাবি করছে। যার কারণে রাস্তায়ই বৃষ্টির পানি রাস্তায় জলমগ্ন হয়ে থাকছে।

এখান থেকে পানি সরানোর জন্য পরিকল্পিত ড্রেন ব্যবস্থা গড়ে তোলা না হলে এ রাস্তার মারাত্নক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে বলে অনেকেই মনে করছেন। এ রাস্তার উত্তর পাশে অনেকেরই দোকানপাট রয়েছে।

জলমগ্ন পানির কারণে তারাও বিরক্তি প্রকাশ করছেন কখনো কখনো। এ পথের পথচারিরা এ বিষয়ে সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মুন্সিগঞ্জ নিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.