শ্রীনগরে অবৈধভাবে চলছে কাঠ কেনাবেচা

শ্রীনগরে অবাদে চলছে অবৈধভাবে কাঠ কেনাবেচা। উপজেলার ডাকবাংলা মার্কেট সংলগ্ন কাঠপট্রির শেখ ষ্টোর থেকে সেগুন, গামারী ও গোল গাছসহ বিভিন্ন ধরণের চোরাই কাঠ বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটির মালিক সামসুল হক নামে ওই ব্যক্তির প্রতিষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা এসব কাঠের চালানের নেই কোনো বৈধ কাগজপত্র। উপজেলা বন বিভাগের এক কর্মকর্তার নাম ভাঙ্গিয়ে এসব কাঠ বিক্রি করায় জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।

খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, শেখ ষ্টোরের কর্ণধার সামসুল হকের প্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে ২/৩ দিন ভোর সকালে কারভার্ডভ্যানে করে এসব কাঠের চালান আসে। এসব কাঠের চালান আসার পরেই দ্রুত নামিয়ে ভাগাভাগি করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে রাখা হয়। পরে তা স্থানীয়ভাবে বিক্রি করা হয়।

এ বিষয়ে কাঠ ব্যবসায়ী সামসুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কাঠের চালান গাজীপুর থেকে আসে। চালানগুলে আসার কোনো বৈধ কাগজপত্র আছে কিনা জানতে চাইলে এবিষয়ে কোনো সুদত্তর দিতে না পারলেও উপজেলা বন বিভাগ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি সে অবগত।

এ ব্যাপরে শ্রীনগর উপজেলা বন বিভাগ কর্মকর্তা মো. সেলিম খাঁনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কাঠ ব্যবসায়ী সামসুল হককে ব্যক্তি হিসেবে চিনি। তবে কাঠের চালান কোথা থেকে কিভাবে আসে সেই বিষয়ে আমি জানি না।

অপর একটি সূত্র জানায়, শ্রীনগর চকবাজার কাঠপট্রিতে রয়েছে প্রায় শতাধিক কাঠের দোকান। এছাড়াও শ্রীনগর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের আশপাশে রয়েছে বেশ কয়েকটি স’মিল। এসব কাঠ কেনাবেচায় সিংহভাগ প্রতিষ্ঠানের নেই কোনো বৈধ কাগজপত্র। যেখানে প্রতিষ্ঠানগুলোর ফায়ার সার্ভিসের ছাত্রপত্র থাকাটা বাধ্যতামূলক। সে হিসেব অনুযায়ী ২/৪ প্রতিষ্ঠান ছাড়া বেশীর ভাগ প্রতিষ্ঠানেই ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র পর্যন্ত নেই।

সূত্রটি আরো জানায়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা চোরাই কাঠের নিরাপদ স্থল কাঠপট্রি। এছাড়াও এখানে রয়েছে ছোট বড় প্রায় পাঁচ শতাধিক ফার্নিচার কারখানা। এতে করে প্রায় সময়ই লক্ষ্য করা যায়, কারভার্ডভ্যান ও ট্রাকে করে এসব কাঠ চালান আসছে এখানে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সুদৃষ্টি কামনা করেন এলাকাবাসী।

নিউজজি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.