সিরাজদিখানে পাওনা টাকা চাওয়ায় দোকানিকে মারধর করল মাদক সেবী

সিরাজদিখানের কেয়াইন ইউনিয়নের শুলপুর এক দোকানিকে মারধর করেছে এক মাদকসেবী। আর হাসপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছে ওই দোকানি । গত মঙ্গলবার পাওনা টাকা চাওয়ায় মুরগি বিক্রয় দোকানদার জয়ন্ত কস্তাকে মারধর করে গুরুত্বর আহত করেন বড়ই হাজী গ্রামের হিমেল পিরিচ ও সন্দীপ পিরিচ।তাকে মাদক হিমেল নামে চেনেন সবাই।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার বিকালে বিপ্লব গমেজের বাড়ি যান জয়ন্ত কস্তা। এ সময় হিমেলের সঙ্গে দেখা হলে দোকানদার জয়ন্ত কস্তা হিমেলের কাছে আগের পাওনা টাকা চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন তিনি। এ সময় হিমেল পিরিচ ওই দোকানিকে অশালীন ভাষায় গালি দেন। দোকানি জয়ন্ত তাতে প্রতিবাদ করলে দোকান বন্ধের আলটিমেটাম দেন হিমেল। এর পর বিপ্লবেরে বাড়িরর ওঠানে রাখা কাঠের লাকরি দিয়ে জয়ন্ত কস্তাকে মারধর শুরুকরেন মাদকসেবী ওই হিমেল পিরিচ ও তার ভাই সন্দীপ পিরিচ।

আহত দোকানী জয়ন্ত কস্তার স্ত্রী চামেলী কস্তা বলেন, মুরগী বিক্রির পাওনা টাকা চাওয়াতে হিমেল ও সন্দীপ দুই ভাই আমার স্বামীকে বিপ্লবের বাড়িতে বিপ্লবের সামনে লাকরি দিয়ে মাথায় আঘাত করে,এতে আমার স্বামীর মাথায় নয়টি শেলাই হয়। হিমেলের মা মাদক বিক্রি করে তাই কাউকে পরোয়া করেন না,তার নামে থানায় মাদক মামলা রয়েছে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বিপ্লব গমেজ বলেন মূলত বাকি টাকা চাওয়াতেই মাদকসেবী হিমেল ও তার পরিবারের লোকজন আমার বাড়ি এসে দোকানী জয়ন্তকে মারধর করেন। হিমেলের মা মায়া পিরিচ এলাকায় মাদকের ব্যাবসা করেন। অভিযুক্ত হিমেল পিরিচ বলেন,আমার কাছে জয়ন্ত টাকা পায় কিন্তু আমি ওকে মারি নাই ধাক্কা ধাক্কির সময় মাটিতে পরে লাকরির সাথে লেগে ওর মাথা ফেটেছে।

এ বিষয়ে সিরাজদিখান থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ফরিদ উদ্দন বলেন,এ ব্যাপারে গতকাল মঙ্গলবার রাত সারে ১০টায় লিখিত অভিযোগ হয়েছে। বিষয়টি আমি শুনেছি। এ সম্পর্কে পুলিশ পাঠিয়ে খোঁজখবরইনেওয়া হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষ ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.