আমাদের ছেলেবেলা , আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম ?

রাহমান মনি: মফস্বল শহর মুন্সিগঞ্জ-এ আমার শৈশব, কৈশোর পেড়িয়ে যৌবনে পদার্পণ। প্রায়শই মুরব্বীদের কাছ থেকে পুরনো দিনের বিভিন্ন গল্প শুনে মনে বিভিন্ন প্রশ্নের উদ্রেক হতো। মনে হতো অধিকাংশই হয়তোবা রঙ মেশানো।

তবে এটাও ভাবতাম যে অতীতকে মনে করে এগিয়ে যেতে হবে ভবিষ্যতের দিকে। হয়তো একদিন এই আজকের কোনো সুখস্মৃতি হয়ে উঠবে আমার ভবিষ্যতের নস্টালজিয়া!

বাংলাদেশের মানুষ চিরায়ত অসাম্প্রদায়িক। রাজনৈতিক নানা ঘটনাপ্রবাহে বাংলাদেশে কখনো কখনো সাম্প্রদায়িক অ-সম্প্রীতির জন্ম হয়েছে। কিন্তু মোটের উপর এই ভূমির সিংহভাগ মানুষ এখনো পর্যন্ত অসাম্প্রদায়িক। ছেলেবেলা আমাদের সেই ভাবেই কেটেছে।

ছেলেবেলার ফুটবল, কাবাডি, ক্রিকেট, হকি, ব্যাডমিন্টন, টেবিল টেনিস, কুস্তি, দারিয়া বান্দা, গোল্লাছুট, কানামাছি ভোঁ ভোঁ মতো’র প্রচলিত খেলা গুলোর পাশা পাশি ‘টিলু এক্সপ্রেস’, ‘হ্যান্ডস আপ ফায়ার’—বা এই জাতীয় আঞ্চলিক খেলায়ও মেতে থাকতাম সকাল-সন্ধ্যা।

শুধু মুন্সিগঞ্জ শহর-ই নয় পুরো বাংলাদেশের মধ্যে ক্রীড়া ক্ষেত্রে নামকরা একটি গ্রামের নাম মাঠপারা। মুন্সিগঞ্জ শহরের মধ্যে পাশাপাশি দুইটি সবচেয়ে বড় মাঠ (যা বর্তমানে জেলা স্টেডিয়াম-এ রুপ নিয়েছে) কে কেন্দ্র করে গ্রামটির নামকরন বলে কথিত রয়েছে। এই মাঠপারাতেই আমার বেড়ে ওঠা।

মাঠপারা কে ঘিরে একটি ক্লাব গড়ে উঠে। নাম তার “মাঠপারা সমাবেশ ক্লাব”। এক সময় দেশ জুড়ে যার খ্যাতি ছিল। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিশেষ করে ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি নিয়ে ফেরাই যার ঐতিহ্য ছিল। কারন এই ক্লাবের সদস্য ছিলেন মোহামেডান এর পক্ষ হয়ে ১৯৭৪ সালে ঢাকা লীগের সর্বোচ্চ গোলদাতা নওশের উজ্জামান, ঢাকা লীগের কোচ নজরুল ইসলাম, মোহামেডান এর ক্যাপ্টেন স্বপন সহ অনেক নামীদামী ক্রীড়াবিদদের জন্মস্থান বা বসবাস এই মাঠপারায়। বর্তমানেও ক্লাবটির অবস্থান টিকে থাকলেও আগের ঐতিহ্য আর ধরে রাখতে পারছে না। তারপরও মাঠপারা সমাবেশ ক্লাব আমার প্রাণের সংগঠন।

মুন্সিগজ পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে এর অবস্থান। সত্তর দশকে তখন পৌরসভায় মাত্র ৩টি ওয়ার্ড ছিল। সেই ১নং ওয়ার্ডের কমিশনার ছিলেন শ্রদ্ধেয় আনোয়ার হোসেন মোল্লা (আনু মোল্লা)। তবে, বিভিন্ন নামেই উনি এলাকায় পরিচিত ছিলেন । আনু মিয়া, আনু মোল্লা, আনু মেম্বার প্রভৃতি তার মধ্যে অন্যতম।

নিত্যান্ত সরল মনের এই মানুষটি প্রভাব প্রতিপত্তি, ভূসম্পত্তি, আর্থিক স্বচ্ছলতা, সুনাম সবদিক থেকেই সবার থেকে এগিয়ে থাকার পরও ছিলেন নিরহঙ্কারী ছিলেন। ছিলেন পরোপকারী।

গোয়াল ভরা গরু, শান বাঁধানো ঘাট, গোলা ভরা ধান, পুকুর ভরা মাছ বলতে যা বুঝায় তার সব-ই ছিল আনু মিয়ার। মাঠপারার প্রাণকেন্দ্রে প্রাচীরঘেরা সবচেয়ে বড় বাড়ী (যদিও একই এলাকাতে তার একাধিক বাড়ি রয়েছে), সেই আমলে কাঠের দোতলা ঘর, রাইস মিল এর মালিক হওয়া সত্বেও অত্যন্ত সাদামাটা জীবন যাপন করতেন তিনি।

তাঁর বাড়িটি ছিল আমাদের কাছে অনেকটা খেলার মাঠের মতো। বিশেষ করে ‘টিলু এক্সপ্রেস’, ‘হ্যান্ডস আপ ফায়ার’ খেলার জন্য। দল বেধে আমরা খেলতাম। বাড়ীটিতে চার ভিটিতে চারটি ঘর ছাড়া আরও একাদিক ঘর ছিল। ছিল গরুর গোয়াল ঘর।

ছয় ছেলে(হারেস ভাই, বাবুল ভাই, ইকবাল ভাই, আকবর ভাই, লিটন ভাই এবং মিল্টন)দুই মেয়ে(নাজমা আপা এবং তাহমিনা) কাজের লোক, গোমস্তা, আত্মীয়স্বজনের স্থায়ী নিবাস সব মিলিয়ে বিশাল সদস্যের পরিবার। এছাড়া খন্ডকালীন মেহমানদের আনাগোনা সর্বদা লেগেই থাকে। মেম্বার বাড়ী বলে কথা।

আর প্রতিটি ঘরেই ছিল আমাদের খেলার অবাধ বিচরন। ওই বয়সে খেলার সময় নিদিষ্ট কোন সময় জ্ঞ্যান ছিল না। তাই, যখন তখন পালানোর ছলে যে কোন ঘরে ঢুকে পড়তাম। শোবার ঘর, এমন কি দোতলায়ও।

মিল্টন ছিল আমার ক্লাসমেট। মুন্সিগঞ্জ এর কে,কে, স্কুলে আমরা একসাথে পড়েছি। এছাড়াও এলাকায় ভাল ছেলে হিসেবে একটা সুনামও ছিল। বাড়তি হিসেবে ছিল লিটন ভাইয়ের অপার স্নেহ। তবে, পারত পক্ষে বাবুল ভাইয়ের সামনে পড়তে চাইতাম না। তাকে একটু ভয় ভয় করত যদিও কোনদিন কিছুই বলেননি। দক্ষিনের ঘরটিতে তিনি সব সময় বন্ধুবান্ধব নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন।

ইকবাল ভাই, আকবর ভাই আমাদের হৈ হল্লাতে কোনদিনই বিরক্তি প্রকাশ করেননি। দল বেধে সারা বাড়ী চষে বেড়াতাম খেলার জন্য।

অনেক সময় খালাম্মা সবজি কাটছেন, রান্নায় ব্যস্ত, খাবার টেবিলে কেহ না কেহ আহার সারছেন আর এমন সময় আমাদের দৌড়াদৌড়িতে খালাম্মার কাজে বিঘ্ন ঘটছে অথচ খালাম্মা কোন প্রকার বিরক্ত প্রকাশ করেননি বরং সময় সময় এটা সেটা দিতেন খাওয়ার জন্য।

মাঠের পশ্চিম পাশেই ছিল মাঠপারার একমাত্র হিন্দু বসতি, কালিপদ দাস(ঢাকা মোহামেডান এর প্রাক্তন ক্যাপ্টেন স্বপন দাস এর বাবা) দাদার বাড়ী। স্বপন দাস এবং মুকুল দাসকে স্বপন দা, মুকুল দা বলে সম্বোধন করতাম। আর এক্মাত্র মেয়েকে কাজল দিদি। আবার তাদের বাবাকেও কালি পদ দা বলে ডাকতাম। আমরা সবাই একসাথে মাঠে ফুটবল খেলতাম। কালিপদ দা ও আমাদের সাথে খেলতেন এবং স্বপন দা আমাদের খেলা শিখাতেন।

আর এই কালিপদ দা’র বাড়ীটি ছিল খেলা শেষে কিংবা বিরতির সময় তৃষ্ণা মিটানোর বিশ্রামাগার। কোন সময় কালিপদ দা নিজে, কখনোবা মুকুল আবার কখনোবা প্রাণকৃষ্ণ পানি এনে দিতেন। আর কেহ না থাকলে কাজল দিদি এনে দিতেন। মাঝে মধ্যে পানির সাথে নারু বা অন্যান্য কিছু ও আসতো।

আমি ছোট হলেও আমরা যাদের সাথে খেলতাম, বড়ভাইদের মধ্যে বাবু এবং মুকুল দাস (পরবর্তীতে ঢাকা লীগে আবাহনীর হয়ে), আরিফ এবং শরীফ (ঢাকা মোহামেডান এর হয়ে), তারিক কাসেম মুকুল(ঢাকা ওয়ান্ডার্স এর হয়ে) আশরাফ, ঝন্টু, আমিন, কাজল, মামুন-১, মামুন-২, রহিজ, আলম, মহসীন, মিন্টু, পিনু, নিজাম, লিটন, মিল্টন, সেন্টু, আক্তার, সিরাজ-১, মাসুম, নাসির, জুয়েল, মোস্তাক, শাহীন, রঞ্জু, ভুট্টু, সিরাজ-২, লোহা, এমদাদ, ফারুক, আউয়াল, আইনুল, দিপু, ইফতেখার, সিম্পু, নুর ইসলাম ভাই।

সমবয়সীদের মধ্যে রকিব, রাজিব, তারিক-১, কল্লোল, সহিদ, নুরু, রহমত, জসিম, তারিক-২, সাদেক, কার্তিক, হেলাল, সাগর, নুরুজ্জামান, ইকবাল, পাল্টু, মিলন, প্রিন্স, গাফফার, মিল্টন, বাবু-১, বাবু-২, সাহালম, জিয়ু, লিপু, শাহীন, পাইন, মিল্টন খান, আলামীন, উজ্জল এবং একটু জুনিয়রদের মধ্যে প্রাণকৃষ্ণ, দুলু, শ্যামল, গবিন্দ, পিন্টু, ইমতিয়াজ, সাব্বির, আতিক, মনা, সুমন, মামুন, সেলিম, মনসুর, এমিলি, তোফায়েল শামীম, কালন, চঞ্চল, আরিফ, শরীফ, টিপু প্রমুখ। এ ছাড়াও পার্শ্ববর্তী কোটগাও, মালপাড়া, জমিদারপাড়া, বাগমামুদালী পাড়া, জগধাত্রী পাড়া, খালইষ্ট থেকেও বড়ভাই, বন্ধুরা নিয়মিত আসতো খেলার জন্য।

মাঝে মাঝে খেলোয়াড়ের সংখ্যা বেশী হওয়ায় কয়েকটি ভাগে ভাগ হয়ে খেলতে হতো। আর ভাগ্য খারাপ হলে মাঠে বসে খেলা দেখেই আনন্দ পেতাম মন খারাপ হলেও। তবে, প্রতিদিন সবাই আসতো না।

কালিপদ দা’র বাড়ীর গেট এর সামনের পেয়ারা গাছের পেয়ারা গুলি যে আমরা-ই খেতাম তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। কখনো বলে কয়ে আর কখনো বা না বলে নিজেদের মনে করে। তবে, রান্না ঘরের টিনের চালে বল পড়লে একটু আধটু রাগান্বিত যে হতেন না তা কিন্তু নয়। আবার অনেক সময় ইচ্ছাকৃত ভাবে যখন পেয়ারা গাছে বলটি মারা হ’ত তখন বল এবং পেয়ারা দু’টাই টিনের চালে পড়ত, কারন গাছটি ছিলে ঘরটির চালের উপর।

কালিপদ দা’র পাশের বাড়িটি ছিল বন্ধু কল্লোলদের বাসা। কল্লোলের আব্বা ছিলেন কাস্টম ইন্সপেক্টর। আমাদের ক্রীড়া সামগ্রীর যোগান কল্লোলদের বাসা থেকেই আসতো। কল্লোলের বড় মিন্টু ভাই বয়সে বড় হলেও আমাদের সময় দিতেন। য়্যাবা, বনিয়েম, বব মারলির গান তাদের বাসায় শুনা হ’ত। কল্লোল বাসায় না থাকলেও কোন অসুবিধা হ’তো না। ভাগ্নে শ্যামল কিংবা রিনা আপা অথবা সাহানা আপা ক্রীড়া সরঞ্জাম (ফুটবল,ক্যারম বোর্ড, দাবা, ব্যাডমিন্টন, টেবিল টেনিস কিংবা ক্রিকেট সরঞ্জাম) বের করে দিতেন।

সেই ক্যারম বোর্ড নিয়ে কালিপদ দা’র বাসার সামনে খালি যায়গাটাতে খেলতাম আর আবাহনী-মোহামেডান, ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা নিয়ে মেতে থাকতাম। সে সময় স্থানীয় রাজনীতি আমাদের আলাপ আলোচনা কিংবা আড্ডায় স্থান পেতো না। আজ যেভাবে যেকোন আড্ডা কিংবা খাবার টেবিলেও রাজনীতি নিয়ে আলোচনা থেকে তর্ক বিতর্ক থেকে মুখ দেখাদেখি পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যায়।

আমাদের ওই সময় রাজনৈতিক দল নিয়ে বিতর্ক ছিলনা। বিতর্ক হ’ত আভ্যন্তরীণ এমন কি আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনের বিভিন্ন দল কিংবা খেলোয়াড় নিয়ে। তর্ক বিতর্ক থেকে হাতাহাতি পর্যন্ত গড়িয়েছে, সব ভুলে পরক্ষনেই আবার এক সাথে সবাই আড্ডায় মেতে উঠা, একসাথে পথ চলা।

আরশেদ উদ্দিন চৌধুরী (মুন্সিগঞ্জ বার এর প্রাক্তন সভাপতি, সিনিয়র আইনজীবী) ছিলেন আমাদের সংগঠক। আমরা তাকে ওস্তাদ বলে সম্বোধন করতাম। তার হাত-পা টিপা ছিল আমাদের খেলা শিখার পূর্ব শর্ত। আমরাও প্রায় প্রতিদিন বিকেলে ছায়ায় পাটি পেতে শুয়ে থাকা ওস্তাদের পা টিপে দিতাম বিনা বাক্যব্যয়ে। খেলোয়াড় হয়ার আশায়। বিষয়টি যে বুঝতে পারতাম না তা কিন্তু নয়। বুঝতাম, তবে মুরব্বীদের হুকুম তামিল করা ইবাদতের সামিল ভেবে সব কিছু করে যেতাম।

মাঠপারার আনাচ-কানাচ সকাল সন্ধ্যা চষে বেড়ানো ছিল আমাদের প্রতিদিনের কাজ। তাতে কোন ক্লান্তিও আসতো না এবং বাঁধাও পেতাম না। ব্যাপারটি এমন যে মাঠপারা প্রতিটি বাড়ীই যেনো আমাদের সবার।

স্কুল ছুটি হতে দেরী হলেও আমাদের খেলার আয়োজন করতে দেরী হতো না। বাসায় গিয়ে বই রেখে ফিরে এসে খেলতে যাওয়া আমাদের কাছে সময়ের অপচয় ছাড়া আর কিছুই নয়। তাই, অনেক সময় বই দিয়েই গোল পোস্ট বানিয়ে কল্লোলদের বাসা থেকে বল এনে নিজেরাই খেলা শুরু করে দিতাম।

খেলা শেষে মাঠ সংলগ্ন বড় পুকুরে দলবেঁধে সাঁতার কেটে এমন কি পানিতেও কিছুক্ষন খেলা করে ভেজা কাপড়ে বাসার গিয়ে মায়ের বকুনি ছিল প্রায় দিনের ঘটনা। সব ভুলে পরের দিন একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ।

অতীতের ভালো-মন্দ বর্তমানের জীবনে স্মৃতি হিসেবে ফিরে ফিরে আসা এবং মনকে আর্দ্র করে দেওয়ার এই প্রবণতার পোশাকি নামই হলো ‘নস্টালজিয়া’। বিদেশি এই শব্দকে বাংলায় তর্জমা করলে এমনভাবে উপস্থাপন করা যায় যে, হারিয়ে ফেলা দিনগুলোকে ফিরে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা। কারণে-অকারণে নানা সময়ে মানুষ নস্টালজিয়ায় সময় কাটাতে পারে। তবে গবেষকেরা বলছেন, করোনাভাইরাস মহামারির এই নিদারুণ সময়ে নস্টালজিয়ায় নিজেকে হারিয়ে ফেলার প্রবণতা বিশ্বজুড়েই ব্যাপকভাবে বেড়েছে। যেকোনো সংকটের সময়ে অতীতের সুখকর অনুভূতি স্মরণ করাও মানুষের জন্য বেশ স্বাভাবিক।

অতীতকে মনে করে এগিয়ে যেতে হবে ভবিষ্যতের দিকে। হয়তো একদিন এই আজকের কোনো সুখস্মৃতি হয়ে উঠবে আপনার ভবিষ্যতের নস্টালজিয়া!

‘আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম’ এখন আর বাউল সম্রাট শ্রদ্ধেয় শাহ আব্দুল করিম এর প্রায় দেড় হাজার গানের মধ্যে একটি গানের প্রথম কলিই শুধু নয়। এখন বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পাহাড়সম একটি প্রশ্ন হয়ে দাঁড়াবে –

“আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম” ?

বি, দ্র – যাদের নাম এসেছে তাদের অনেকেই আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। একই সাথে যদি কারোর নাম বাদ পড়ে যায় তার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

rahmanmoni@gmail.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.