মুন্সিগঞ্জে খামারীদের প্রণোদনার তালিকা তৈরিতে অনিয়মের অভিযোগ

জেলা সদরের রামপালে প্রাণিসম্পদ খাতে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের প্রণোদনা প্রদানে তালিকা তৈরিতে অনিয়ম অভিযোগ উঠেছে। করোনাকালীন সংকট মুহূর্তের জন্য প্রাণিসম্পদ ও দুগ্ধ উন্নয়ন প্রকল্পে (এলডিডিপি) গাভী খামারিদের প্রণোদনার জন্য বরাদ্দ দেয়।

২০২০-২০২১ অর্থ বছরে এতে রামপাল ইউনিয়নে গবাদীপশু ও হাসমুরগীর খামারিদের মধ্যে ক্যাটাগরি অনুযায়ী ৮২ জন খামারিদের প্রায় ১২ লাখ টাকা আর্থিক প্রনোদনা প্রদান করা হয়। এদিকে ইউনিয়ন পরিষদে ৮২ জনকে এই প্রণোদনা দিলেও তালিকা তৈরিতে জানানো হয়নি রামপাল ইউনিয়ন পরিষদকে। কে বা কারা এই ৮২ জন খামারী ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সচিব জানেন না। অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদকে না জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নামে তালিকা তৈরি করে প্রণোদনা প্রাপ্তদের তালিকাও পরিষদে প্রেরণ করেনি। এতে বাদ পড়েছে প্রকৃত খামারীরা।

রামপাল ইউপি চেয়ারম্যান মো. বাচ্চু শেখ বলেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে খামারীদের তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে আমার জানার কথা। ৮২ জনকে প্রণোদনা দিয়েছে। কারা এই ৮২ জন তাও আমরা জানি না। অনেক প্রকৃত খামারীরা প্রণোদনা না পেয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন করেছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আমাদের সাথে সমন্বয় করে তালিকা তৈরি করলে প্রকৃত খামারীদের মাঝে ক্ষোভ দেখা যেতো না।

এ বিষয়ে প্রাণিসম্পদ অফিসের রামপাল ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা মাঠ কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার জানান, আমরা তালিকা করেছি। রামপালে ৮২ জন খামারী মোবাইলের মাধ্যমে প্রণোদনা পেয়েছে। তালিকা তৈরিতে ইউনিয়ন পরিষদকে জানানো হয়নি। এই বিষয়ে উপজেলা অফিসে কথা বলেন সব তথ্য পাবেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলমের ব্যবহৃত ফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

নিউজজি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.