ঠিকানা – জসীম উদ্দীন দেওয়ান

পদ্মার রুদ্র রূপ,খান খান কইরা দেয় আমার জন্মভূমি।
রাহুগ্রাসে লন্ড ভন্ড তীর বাস,
আহারে নিঠুর সর্বনাশ।
দিনে রাত সময়টা কই দেয়? Continue reading »

সাঁঝের আকাশ – জসীম উদ্দীন দেওয়ান

অভাবের আগুনে রাতারাতি জ্বলছে, কতো শত পরিবার।
রক্ত চোখ আর কঠিন থাবায়, বেহিসেবি করোনার। নির্মমতার সীমাহান প্রান্তর, অবরুদ্ধতার গ্লানি।
রুটি রোজগারের পথ হারা হয়ে, নীরবে বহে কষ্টের বানী।
মধ্য বিত্তের চিত্ত খানে, বুকের ব্যথায় জ্বলে। Continue reading »

বিশ্বাসের মুকুট – জসীম উদ্দীন দেওয়ান

কি হতে ছিলো, কি হয়ে গেলো !
দয়াল দয়া করো।
করোনার চেয়ে তোমার করুনা, সেইতো অনেক বড়।
কাজ হারানো মানুষেরা আজি,
অর্থ সংকটে যায় পড়ে। Continue reading »

রজনীর গহিনে – জসীম উদ্দীন দেওয়ান

পৃথিবীটা কি আসলে এতো সুন্দর।
রজনীর গহিন গতরে
বৃষ্টি ঝড়ছে রিম ঝিম করে।
কি অপরূপ সে সুর। Continue reading »

ক্লান্তির স্তব্দতা – জসীম উদ্দীন দেওয়ান

প্রচন্ড কষ্ট বুকের গহিনে, চারিদিকে ক্লান্তির স্তব্দতার সনে।
আমার নি:শ্বাসের শব্দ আমিই পাচ্ছি মনে মনে।
ভোরের আজানের ধ্বনি বেজে ওঠবে ঘন্টা খানেক পর।
আজকি জাগ্রত রজনী কাটবে,যেমনি জাগ্রত দিনভর।
ভাবনাটা অঘটনের তরে ছুটে চলা।
মাকে কথা দিয়ে কি ছুঁড়ে ফেলা। Continue reading »

পনেরোই আগস্ট :: পূরবী বসু

পনেরোই আগস্ট
পাকিস্তানে প্রথম সূর্যোদয়।
পনেরোই আগস্ট
পিতার মৃত্যু; স্তব্ধ হৃদয়। Continue reading »

মুখোশ – জসীম উদ্দীন দেওয়ান

প্রতিদিন হাফসে ওঠতাম, মুখোশ পরাদের অন্তকর্মে।
আমি ক্লান্ত হতেম কুটিলতার মর্মে মর্মে।
সরল জীবন ছেড়ে, ওরা বারে বারে,
জটিলতায় কদম ফেলে।
মানবহীন চলন বলনে, শুপ্ত আক্রোসে বলে। Continue reading »

বিস্মিত আমি – জসীম উদ্দীন দেওয়ান

প্রতিকী কফিন আর হাজারো হৃদয়ের চিৎকার।
কেউ কি শোনতে পাও? শোন কি? শোনতে পারো? যার দরকার?
বিলাস বহুল জীবনের লাগি নয়, অট্টালিকা পাবার তরে নয়, শুধু বাঁচবার ইচ্ছে টুকো হয়।
১৭ লাখ প্রাণের মায়ায় নিজেদের যোদ্ধা বানিয়েছে, অদৃশ্য শক্রর সম্মুখে দাঁড়িয়ে, দু: সাহসিক কদম বাড়িয়েছে। Continue reading »

আল্লাহমুখী – জসীম উদ্দীন দেওয়ান

আল্লাহমুখী হওরে মানুষ, আল্লাহমুখী হও।
জেনে নিও আল্লাহ হতে, তুমি দুরে নও।
মহিমা তাঁর, বলে বার বার, শেষ করা কি যাবে?
এতো উপমা কার আছে জানা, কোন কবি জেনেছে কবে? Continue reading »