মুন্সীগঞ্জে তৈরি হচ্ছে ভেজাল মসলা..!

মুন্সীগঞ্জে বিভিন্ন হলুদ, মরিচ ও ধনিয়া ভাঙ্গানোর কারখানায় চলছে ভেজাল মসলা তৈরি। জেলার বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে মিরেশ্বর, বানিয়াবাড়ী শান্তিনগর, রিকাবিবাজার ও আব্দুল্লাহ্পুরসহ বিভিন্ন স্থানে বেজাল মসলার কারখানা রয়েছে। এসেব কারখানায় তৈরি করা হচ্ছে গরু.ছাগল ও হাঁস মূরগির খাবার ধানের কুড়া ও কাঠের কুড়ার সাথে রাসায়নিক কেমিকেল বিসিয়ে বানানো হচ্ছে হলুদ.মরিচ ও ধনিয়া। যা স্বস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুটিপূন্য। নিত্য প্রয়োজনিয় হলুদ.মরিচ ও ধনিয়া অগ্নিমূল্যে হওয়া তার পরিবর্তে খাঠের গুরা.কুড়া ফকি মিসানো হয় বলে জানিয়েছেন মিরেশ্বরের ইমন হক রাইস মেইলের কর্মচারী। সে আরো জানায় ৪০ কেজির বস্তায় ৫শ গ্রাম কেমিকেল মিশিয়ে দিলেই তৈরি হয়ে যায় একমন হলুদ বা মরিচ।

তবে মুন্সীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় বেশ কিছু মসলার মেইল উৎপাদন হচ্ছে এসব ভেজাল মসলা। তার মধ্যে মিরেশ্বরে ইমন হক রাইস মেইলে হলুদ.মরিচ ও ধনিয়া ফাকি পাশাপাশি গুরু.ছাগল মূরগির খাবারের সাথে রাসায়নিক কেমিকেল মিশিয়ে বানানো হচ্ছে বিভিন্ন মসলা। অন্যদিকে বিভিন্ন মসলার মেইলে ঘুরে দেখা যায় বিএসটিআই, ট্রেড লাইন্সেস, মেডিকেল সাটিফিকেট ও রাজস্ব নবায়ন ছারপত্র ছাড়াই তৈরি করা হচ্ছে মানুষের নিত্য প্রয়োজনিয় মসলা। এর ফলে মানবদেহে গ্যাস্টিক, আলসার, পাকস্থলিতে ক্ষতবিক্ষত সিরসিস থেকে দেখা দেয় ক্যান্সার সহ বভিন্ন রোগ বালাই। তবে মুন্সীগঞ্জ থেকে এই মসলা পাইকারদের মাধ্যামে নারায়নগঞ্জ ও ঢাকা সহ ছড়িয়ে পড়ে দেশের সর্বত্রই

মানবদেহের এসব ক্ষতিকারক মসলা তৈরির কারখানার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন করতে গেলে পঞ্চসার ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের ছোট ভাই পর। এতে সুশিল সমাজ উদৎবেগে ফেটে পড়েন।

এসব ভেজাল মসলা কারখানা বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার দাবী জানিয়ে সুশিল সমাজের প্রতিনিধি নাট্যকার জাহাঙ্গীর হোসেন ঢালী বলেন, প্রশাসনের তদারকি না থাকায় যে ভাবে খুশি তৈরি করে যাছে মানুষের মরন ব্যাধী ভেজাল মসলা। এসব কারখানা মালিকরা শুধু মানুষের সাথে নয় পুরোজাতীর সাথে প্রতারণ করছে এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

এদিকে,ভোক্ত অধিকার সংরক্ষন আইনে ৫০ ধারা মোতাবেক কোন পন্যোর ভেজাল ও নকল করলে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা ও ৩ বছরের জেলের বিধান থাকলেও পার পেয়ে যাচ্ছেন এসব মসলা মিলের প্রতারক মলিকরা।

ভেজাল মসলার সিমাহিন দূর্নীতি বন্ধ না করা গেলে পাকস্থলিতে সিরোসিস ক্যান্সার ও হৃদরোগে আক্রন্ত হবে লাখ মানুষ এমনটাই জানালেন,মেডিসিন বিশেষঞ্জ ডাঃ মোঃ মিজানুর রহমান।

কেউ সঠিক উপকরন ব্যবহার না করে কাঠের গুরো বা ধানের গুরোর ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকার আইনে ব্যবস্থা নেয়া ও সংবাদ কর্মিদের প্রান ন্বাশের গুমকির ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালেন মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারাবান তাহুরা।

মানুষ মারার ভেজাল মোসলার মালিকদের দৃষ্টন্ত মূলক শাস্তি ও কারখান গুলো বন্ধ করার কঠোর ব্যবস্থা নিবে সরকার এমন দাবী সাধারণ মানুষের।

মোহাম্মদ আহসানুল ইসলাম আমিন-ক্রাইম ভিশন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.