মুন্সীগঞ্জে থানায় অভিযোগ করায় হামলা করে বাড়ীঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ হামলায় ৩টি বসত ঘর ভাংচুর ও মহিলাসহ অন্তত ৮ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে আসলাম (৩০) ও শহিদ বেপারী (৫০)-কে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপর আহত আসমা বেগম (৪৫), বিলকিস বেগম (৪০), হালিমা বেগম (৪৫), সিমু বেগম (২৮), রহিমা বেগমকে প্রাথমি চিকিৎসা দেয় হয়েছে। এ সব ঘটনাকে কেন্দ্র করে সদরের কাচারি মুন্সিরহাট সড়কের বিভিন্ন স্থানে দেশি ও বিদেশী অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে ৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাকির হোসেন ও তার লোকজনকে মহড়া দিতে দেখা গেছে। এতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। শুক্রবার শহরের পাচঘড়িয়া কান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, পাচঘড়িয়া কান্দি এলাকায় রাতের আধারে স্থানীয় ৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী বিভিন্ন অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে ঘুড়ে বেড়ায় এবং এলাকার লোকজনের ঘরের বেড়ায় আঘাত করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এর প্রতিবাদ করে ঘর থেকে কেউ বের হয়ে আসলে মারধর করা হয় এবং মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে। তাই কেউ রাতে ভয়ে ঘর থেকে বের হতে পারে না। এসব সন্ত্রাসীদের হাত থেকে নিরাপত্তা চেয়ে আওলাদ বেপারীর স্ত্রী রহিমা বেগম ও এলাকবাসী ফরিদা বেগমসহ প্রায় ১০/১২ জন নারী বাদী হয়ে জাকির হোসেন কাউন্সিলর ও তার সাঙ্গপাঙ্গোদের বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে পুুলিশ এলাকায় তদন্তে নামে। এতে আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন সন্ত্রাসীদলটি। শুক্রবার মামলার বাদী পক্ষের বসতবাড়ীতে হামলা চালিয়ে প্রায় ৩টি বসত ঘর ভাংচুর ও মহিলা সহ ৮ জনকে আহত করে। আহতদের মধ্যে আসলাম ও শহিদ বেপারী নামের দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপর আহতদের চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় কাউন্সিলর জাকির হোসেন ও তার সহযোগি মাইনুদ্দিন বেপারী, সাগর, সাওয়ন, রাজনসহ অজ্ঞাত নামা আরো ১০/১৫ জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ওসি ইউনুছ আলী জানান, এসব ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জনকন্ঠ
Leave a Reply