পাঁচঘরিয়াকান্দিতে সংঘর্ষ ॥ পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থীসহ আটক ৩

মুন্সীগঞ্জ শহরের পাঁচঘরিয়াকান্দিতে সংঘর্ষের ঘটনায় তিন জনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ তিনটি বিদেশী পিস্তল, চারটি ম্যাগজিন এবং ২২ রাউন্ড তাজাগুলি জব্দ করেছে। আটককৃতরা হলো- শহর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ পরাজিত কমিশনার প্রার্থী ওয়াহিদুজ্জামান বাবুল (৪১), হরগঙ্গা কলেজ ছাত্র লীগের সভাপতি নিবির আহম্মেদ (২৩) ও মো. অপু(৪০)। তবে এখনও মামলা হয়নি। নিহত জনির লাশ হাসতাল মর্গে রাখা হয়েছে। আজ রবিবার তার ময়না তদন্ত হবে। এদিকে গুলিবিদ্ধ মানিক সরকার (৩০) ও কালু ব্যাপারীকে (৩১) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার বিপ্লব বিজয় তালুকদার জানান, শনিবার রাতে সংঘর্ষের পরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অস্ত্রসস্ত্র উদ্ধার এবং তিনজনকে পাকড়াও করা হয়েছে। এই ঘটনায় হত্যা ও অস্ত্র মামলা দায়ের প্রক্রিয়া চলছে। আটককৃতদের থানার পরিবর্তে রাখা হয়েছে অজ্ঞাত স্থানে। অস্ত্র-সস্ত্রও রাখা হয়েছে সাংবাদিকদের আড়ালে। এই বিষয়ে আজ দুপুরে প্রেস ব্রিফিং করে সবকিছু প্রদর্শন করা হবে বলে পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে।

মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের ইমারজেন্সি মেডিক্যাল অফিসার ডা. শৈবাল কুমার বসাক জানান, নিহত জনির পেছনের দিক দিয়ে গুলিটি বিদ্ধ হয়ে আর বের হয়নি। আর আহত দু’জনের পায়ে গুলিবিদ্ধ হলেও বেশী রক্তক্ষরণের কারণে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

মুন্সীগঞ্জ পৌর সভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে বিগত পৌর নির্বাচনে পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থী ওয়াহিদুজ্জামান বাবুল গ্রুপের সাথে বিজয়ী কাউন্সিলর জাকির হোসেন গ্রুপের সাথে বিবাদ ঘটে। এক পর্যায়ে বাবুল গ্রুপের লোকজন আকস্মিক গুলি বর্ষণ করে। এতে জাকির গুপের এক জন নিহত ও অপর দু’জন আহত হয়। দু’গ্রুপই আওয়ামী লীগ বা তার অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী-সমর্থক।

হাসপাতালে লাশের পাশে এবং নিজ বাড়িতে নিহতের স্বনদের চলছে আহাজারি। পাঁচঘরিয়া গ্রামে এখন থম মে অবস্থা বিরাজ করছে। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।

জনকন্ঠ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.