সাংসদ বদলে দিলেন ইতিহাস, নতুন কাপড় গেলো বেদে পল্লীতে

শিহাব অাহমেদঃ মুন্সিগঞ্জের মিরকাদিমের অবহেলীত বেদেপল্লীতে বসবাসকারী ব্যাক্তিদের নিয়ে সম্প্রতি ‘অামার বিক্রমপুর’ এ সংবাদ প্রকাশের পর স্থানীয় সাংসদের একান্ত প্রচেষ্টায় প্রায় ৭০-৮০ বৎসরের মধ্যে এবারই প্রথম নতুন কাপড় পেলেন তারা।

‘অামার বিক্রমপুর’ এর প্রিন্ট সংস্করণে সম্প্রতি ‘বেদে পল্লীতে কেমন ঈদ?’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সেখানে জানা যায়, মুসলমান হওয়া সত্ত্বেও ঈদে সামান্য জাকাতের কোনও অর্থ পায়না এরা। এমনকি স্থানীয় সাংসদ বা অন্যন্যা প্রতিনিধিরাও ঈদে তাদের খোজ নেয় না। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর রাজনৈতিক মহলে বেশ অালোচনা হয় বিষয়টি নিয়ে। এরপরে বিষয়টি স্থানীয় সাংসদ মৃণাল কান্তি দাসের গোচরে এলে তিনি ‘বস্র বিতরণ’ কর্মসূচীতে সংশ্লিষ্ট তার ভাতিজা অাপন দাস কে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখার জন্য নির্দেশ দেন। এরপর সাধারণ প্রক্রিয়া মেনে মোট ১৫টি পরিবারের জন্য নতুন শাড়ি ও লুঙ্গি’র স্লিপ পাঠান অাপন। অাজ মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে ২টা পর্যন্ত তারা স্লিপ দেখিয়ে লুঙ্গি ও শাড়ী বুঝে নেন।

নতুন শাড়ি পেয়ে বেদেপল্লীতে বসবাসরত বয়োজ্যেষ্ঠ খাদিজা বেগম কাঁদতে কাঁদতে ‘অামার বিক্রমপুর’ কে বলেন ‘হামাগো অার কুনো দুঃখ নাই, এমপি হামাগের জন্যে নুতন কাফড় দিছে-ইটা পরে ঈইদে সময় কাইটবে’

বেদেপল্লীর বিপ্লব যে কিনা বোনাসের টাকায় বাবাকে নতুন কাপড় কিনে দিতে চেয়েছিলো সেও খুব খুশি তার বাবা সাংসদের দেয়া ঈদবস্র পেয়েছে বলে।

বেদেপল্লীর সবুজ মিয়া, শামসুল হক, মোস্তফা সওদাগর সবাই খুশি অাজ। তাদের কাছে এবারের ঈদটা সত্যিই স্মৃতিময় হয়ে থাকবে।

আমার বিক্রমপুর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.