বেপরোয়া ও লাইসেন্সবিহীন বাস চালকের কারাদন্ড

ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে এক লাইসেন্সবিহীন চালকে এক মাসের কারদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। সে সোমবার মহাসড়কে বেপোর বাস চালাচ্ছিল। ‘আরাম’ পরিবহনের এই বাস চালক মো. মুক্তার হোসেন শরিয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার হবি মোড়লকান্দি গ্রামের মজিবর মুন্সীর পুত্র।

ভ্রাম্যমান আদালতটির বিচারক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও লৌহজং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবুল কালাম জানান, তিনি দাপ্তরিক কাজে ওই গাড়ীতে করে উপজেলার কুমারভোগে যাচ্ছিলেন। এ সময় গাড়ীর চালক বাসটি বেপরোয়ারা ভাবে চালাচ্ছিলেন। তাকে গাড়ী স্বাভাবিক গতিতে চালানোর জন্য হয়। তিনি তা কর্ণপাত করেননি। ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে বাস থামাতে বললেও কর্ণপাত না করে সোজা বাসটি দ্রুত গতিতে চালিয়ে শিমুলিয়ার মোড়ে নিয়ে যায়। ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দেবার পরও কেন গাড়ী থামালেননা জানতে চাইলে- বাস চালক আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ম্যাজিস্ট্রেটকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। পরে বিষয়টি মোবাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ খালেকুজ্জামানকে অবগত করেন। তিনিও ঘটনাস্থল শিমুলিয়া মোড়ে আসেন। খবর পেয়ে পুলিশও আসে ঘটনাস্থলে। এ সময় বাস চালকের কাছে ড্রাইভিং লাইসেন্স চাইলে তিনি তা দেখাতে পারেননি। পরে চালককে এক মাসের কারাদন্ডা দিয়ে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দেবার পরেও র্দুব্যবহারেই স্পষ্ট এরা সাধারণ যাত্রীদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে। তাই অন্যায়কে জেনে শুনে প্রশ্রয় দেয়া যায়না। সাজাটা তার প্রাপ্য ছিল। ভবিষ্যতে শুধু ওই চালকই নয় অন্য চালকারাও এই সাজার কথা মনে রেখে বেপরোয়া গাড়ী চালানো থেকে বিরত থাকবেন এবং সেই সাথে যাত্রীদের সাথেও কারাপ ব্যবহার করবেননা।

জনকন্ঠ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.