পাঠক সংখ্যা

  • 7,309 জন

বিভাগ অনুযায়ী…

পুরনো খবর…

শ্রীনগরে পরকিয়া প্রেমিক খোকন সারারাত ফুর্তি করে ভোরে লিমুকে শ্বাষরোধ করে হত্যা করে

আরিফ হোসেনঃ পরকিয়া প্রেমের সূত্র ধরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে রাতভর ফুর্তি করে ভোরে লিমা আক্তার লিমু (১৮) কে শ্বাষরোধ করে হত্যা করা হয় । দুই দিন দোকানের র‌্যাকের ভেতর লাশ লুকিয়ে রাখার পর ৩ দিনের মাথায় রাত ১১ টার দিকে কাপড়ের বস্তার ভেতর মুড়ে ছাদ থেকে লাশ নিচে ফেলে দেওয়া হয়। পাষন্ড প্রেমিক স্বাভাবিক ভাবে বসে ছিলেন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। লাশ উদ্ধারের জন্য পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘাতক প্রেমিক খোকন পালিয়ে যায়। সোমবার দুপুরে খোকন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।


পুলিশ জানায়, ৬ মাস পূর্বে লিমুর সাথে পরকিয়া সম্পর্ক গড়ে উঠে বাড়ৈখালী বাজারের চাঁন সুপার মার্কেটের দর্জিঘর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক খোকনের সাথে। গত ২৮ আগষ্ট বিকালে বাড়ৈখালী গ্রামের আঃ মতিনের মেয়ে লিমু প্রেমিক খোকনের দোকানে যায়। লিমু সেখানে গিয়ে ৩০ হাজার টাকা দাবী করে। প্রেমিক খোকন প্রলোভন দেখিয়ে লিমুকে দোকানের ভেতর রেখে রাত্রি যাপন করে। খোকন ভোর রাতে লিমুকে চলে যেতে বললে সে টাকা দাবী করে। টাকা না পেলে লিমু ঘটনা ফাঁস করে দিবে বলে জানায়। এসময় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে খোকন গলায় চাপ দিয়ে শ^াষরোধ করে লিমুকে হত্যা করে। হত্যার পর লাশ কাপরের র‌্যাকের বাক্সে লুকিয়ে রেখে ঠান্ডা মাথায় দোকানদারী করে। পরদিনও সারাদিন দোকানদারী করে রাত ১১ টার দিকে লিমুর লাশ বস্তায় মুড়িয়ে মার্কেটের ছাদ থেকে নিচে ফেলে দেয়। ৩১ আগষ্ট দুপুরে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে খোকন পালিয়ে যায়। পুলিশ ঐদিনই দোকানের র‌্যাকে রক্তের দাগ ও লাশ পঁচা গন্ধের সূত্র ধরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য খোকনের দুই ভাই ও ২ কর্মচারীকে আটক করে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শ্রীনগর সার্কেল) কাজী মাকসুদা লিমার নেতৃত্বে অভিযানে নামে পুলিশ। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে রবিবার দিন দুই সন্তানের জনক খোকনকে টঙ্গী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা শ্রীনগর থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ মাসুদুর রহমান জানান, খোকন আদালতে স্বীকরোক্তি মূলক জবানবন্দী দিয়েছে। নিখোজের ৪ দিনের মাথায় লাশ উদ্ধারের পর লিমুর বাবা বাদী হয়ে খোকনকে আসামী করে শ্রীনগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন ।

1 comment to শ্রীনগরে পরকিয়া প্রেমিক খোকন সারারাত ফুর্তি করে ভোরে লিমুকে শ্বাষরোধ করে হত্যা করে

  • Udoy Mahfuz

    অপরাধীর বিচার চাই। লিঙ্গ নিরপেক্ষ আইন চাই। নারীদের সমস্ত কুকর্মের মূল হল এইসব ইন্ধন যোগানো একপেশে আইন।
    ধর্ষণ-ই যদি করে থাকে তবে লিমা আক্তার টাকা চাইবে কেনো? টাকার বিনিময়েই যদি সেক্স হয়ে থাকে তবে ধর্ষণ লিখবে কেনো?
    পরিচিত অনেক পুরুষেরই আগে প্রেমের সম্পর্ক ছিল, কিন্তু মেয়ে বেশি যোগ্য ছেলে পেয়ে সেই প্রেমিককে ডাম্প করে চলে গেছে। এতে তো কোনো আইন লঙ্ঘন হয় না। তখন কোনো পুরুষ বিয়ের দাবিতে অনশন করার কথা চিন্তাও করে না। সম্মান হারানোর ভয়, আর পাচাটা স্বভাবের পুরুষদের মাইরের ভয়। আর ছেলে মেয়েকে ডাম্প করলেই আইন চলে আসে??

Leave a Reply

You can use these HTML tags

<a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

  

  

  

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.