মুল সাইটে যাওয়ার জন্য ক্লিক করুন

পাঠক সংখ্যা

  • 9,420 জন

বিভাগ অনুযায়ী…

পুরনো খবর…

স্ত্রী-সন্তান হত্যায় ব্যাংক কর্মকর্তার যাবজ্জীবন

পরকীয়ার জেরে রাজধানীর মিরপুরের পাইকপাড়ায় মা-ছেলে হত্যা মামলায় স্বামী ব্যাংক কর্মকর্তা আমানউল্লাহ আমানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।বুধবার ঢাকার ৩ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মনির কামাল এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার পর আসামিকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

২০১৪ সালের ৫ নভেম্বর দিবাগত রাতে মিরপুর ৬৭/এ, মধ্য পাইকপাড়ার পঞ্চম তলার ভাড়া বাসায় খুন হন আইরিন আক্তার আরজু ও তার সাত বছর বয়সী ছেলে সাবিদ। স্ত্রীকে প্রথমে বালিশ চাপা ও গলাটিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। সন্তান সাবিদ দেখে ফেলায় তাকেও গলাটিপে হত্যা করা হয়। নিহত আরজুর দেড় বছরের শিশু সন্তান সানভীরও ছিল। সানজিদা ইসলাম সুবর্ণা নামে এক নারীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে তাকে বিয়ে করার জন্যই আসামি আমান স্ত্রী ও সন্তানকে হত্যা করেন মর্মে তদন্তে উঠে আসে।

অভিযোগে বলা হয়, ২০০৪ সালে পরিবারিকভাবে বিয়ে হয় আমান-আরজুর। আমান তার স্ত্রী আরজুকে আগেও বেশ কয়েকবার হত্যার চেষ্টা করেছিলেন। সর্বশেষ শিশু সাবিদকে সঙ্গে নিয়ে জুমার নামাজ পড়তে গিয়ে সুবর্ণার সঙ্গে দেখা করেন। ওই বিষয়টি সাবিদ তার মা আরজুকে বলে দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমান তার শিশু সন্তানকে মারধর করেন। এতে বাধা দিতে গেলে স্ত্রী আরজুকেও মারধর করেন আমান। ওই ঘটনায় দুই পরিবারের সদস্যরা কয়েক দফা সালিশ করেও আমান অবৈধ পথ থেকে সরে আসেনি। পরে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেন।

নিহত আরজু ইডেন কলেজ থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। তার বাবার নাম রহমান হাওলাদার (মৃত)। গ্রামের বাড়ি মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজংয়ে। আমান পূবালী ব্যাংকের এলিফ্যান্ট রোড শাখার সিনিয়র অফিসার ছিলেন।

ওই ঘটনায় নিহতের চাচা ইউনুস হাওলাদার মিরপুর থানায় একটি মামলা করেন। মামলা তদন্তের পর ডিবি ইন্সপেক্টর নিবারণ চন্দ্র বর্মন ২০১৫ সালের ১৮ এপ্রিল আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। একই বছরের ১৮ আগস্ট আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলাটির বিচারকালে ট্রাইব্যুনাল ২২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে স্পেশাল পিপি মো. মাহবুবুর রহমান মামলা পরিচালনা করেন। আসামি পক্ষে ছিলেন আমিনুল গনি টিটো।

ঢাকাটাইমস

Leave a Reply

You can use these HTML tags

<a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

  

  

  

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.