পিবিআইয়ের তথ্যে বের হয়ে এলো সাড় তিন বছর আগের হত্যা রহস্য (ভিডিও)

ডোবা থেকে কঙ্গাল উদ্ধার।
জসীম উদ্দীন দেওয়ানঃ পাঁচ বন্ধু মিলে সোহাগকে হত্যা করেছে বলেও জানান পিবিআই মুন্সীগঞ্জ প্রধান। এই দপ্তরটি জানান, মোটর সাইকেল বিক্রির টাকা আত্মসাৎ করতে লোমহর্ষক এমন হত্যাকান্ড। শনিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার মানিকপুরস্থ পিবিআইয়ের কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে এসব তথ্য জানান, অতিরিক্ত পলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি। তিনি জানান, ২০১৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শ্রীনগরের কামারগাঁও নিজ বাড়ি থেকে মোটর সাইকেল নিয়ে বের হবার পর থেকে নিখোঁজ হয় ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম ফকিরের ছেলে যুবক সোহাগ। নয়জনকে আসামী করে করা মামলায় আশানুরূপ ফল না পেয়ে শহিদুলের নারাজির ভিত্তিতে নয়মাস আগে মামলার অনুসন্ধ্যানের দায়িত্ব আসে পিবিআইয়ের উপর। আর এই সংস্থাটি তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সোহাগের বন্ধু সিয়ামকে গ্রেফতার করে। সিয়ামের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে খুলনার একটি পরিত্যাক্ত ডোবা থেকে ২১ মার্চ উদ্ধার হয় সোহাগের মাথার খুলিসহ খন্ডিত দেহের কঙ্কাল।

পিবিআই জানান, গ্রেফতারকৃত সিয়াম জবানবন্দিতে বলেন, মোটর সাইকেল বিক্রির ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করতে পাঁচজন মিলে মাটিতে ফেলে শ্বাসরোধ করার পাশাপাশি বুকে ও পেটে একের পর এক ছুড়ির আঘাত করে সোহাগের মৃত্যু নিশ্চিত করে তাঁর মরদেহটি ডোবায় ফেলে দেয় খুনিরা।

ছেলেকে হারানোর পর বিভিন্ন জায়গায় ছোটাছুটিতে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নষ্ট হয়ে আর্থিকভাবেও নি:স্ব হয়ে পরেছেন শহিদুল। সব হারানো মানুষটির এক মাত্র চাওয়া ছেলের খুনিদের সর্বোচ্চ সাজা।

ইতোমধ্যে পুলিশ এই মামলায় দুইজনকে গ্রেফতার করেছে, আর শীঘ্রই বাকিরা ধরা পড়বে বলেও আশাবাদ তাঁদের।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.