পাঠক সংখ্যা

  • 7,713 জন

বিভাগ অনুযায়ী…

পুরনো খবর…

শ্রীনগর উপজেলা নির্বাচনে ভোটার উপস্থিত করাই বিদ্রোহীদের চ্যালেঞ্জ

আরিফ হোসেন: শ্রীনগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিত করাই বিদ্রোহীদের চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন স্থানীয় বিশ্লেষকরা। তারা মনে করছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর বিপরীতে বিদ্রোহীদের জয় লাভ করতে হলে সাধারণ ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। কেননা গত সংসদ নির্বাচনে ভোটের ধরণ নিয়ে বিএনপি সহ সাধারণ ভোটার দের মধ্যে যে ধারণা তৈরি হয়েছে তা ভেঙ্গে ভোটারদেরকে ভোট কেন্দ্র মুখী করতে পারলে বিদ্রোহী প্রার্থীদের মধ্যে মসিউর রহমান মামুন ও জাকির হোসেনের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে।

অপরদিকে সংসদ নির্বাচনের মতো ভোট কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের ভোটারদের সরব উপস্থিতি থাকলে সুবিধা জনক অবস্থানে থাকবেন নৌকা প্রতিকের আলহাজ¦ তোফাজ্জল হোসেন। তাছাড়া হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোট ব্যাংকও নৌকা প্রতিকের জয়ের ক্ষেত্রে বড় অস্ত্র হতে পারে। বিশ্লেষকদের ধারণা তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতারা দলের বাইরে গিয়ে বিদ্রোহীদের সাথে যোগ দিয়ে নির্বাচন করলেও কর্মীরা নৌকা প্রতিকে ভোট দিতে ভুল করবেনা।

শ্রীনগর উপজেলা নির্বাচনে ত্রিমুখী এই লড়াই জমে উঠেছে। তিনজনের মধ্যে কে কার কর্মীকে বশে এনে ভোট বাড়াতে পারে এনিয়ে এক একজন রাত দিন চষে বেড়াচ্ছেন উপজেলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত। বিদ্রোহীরা জোর দিচ্ছেন সাধারণ ভোটারদেরকে কেন্দ্র মুখি করতে। তবে ভোটারদেরকে আশ^স্ত করতে তাদের বেগ পেতে হচ্ছে। ইতিমধ্যে নিরপেক্ষ নির্বাচনের নিশ্চয়তা প্রদান করেছে প্রশাসন।

অভিযোগ রয়েছে কর্মীদের বশে আনতে চলছে অর্থের ছড়াছড়ি। প্রতিটি ইউনিয়নের ওয়ার্ড নেতাদের দিয়ে টার্গেট করে কর্মীদের পেছনে অর্থ ঢালা হচ্ছে। ৩১ মার্চের নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে এই খেলা তত জমে উঠছে। শেষ পর্যন্ত এই খেলায় যিনি জয়লাভ করবেন তিনিই হবেন শ্রীনগর উপজেলার পরবর্তী চেয়ারম্যান। যদিও অর্থ বিনিময়ের বিষয়টি কোন প্রার্থীই স্বীকার করেননা।

শ্রীনগর উপজেলা তৃণমূল আওয়ামী লীগের ভোটে জেলা যুবলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মসিউর রহমান মামুন জয় লাভ করেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী কেন্দ্রীয় যুবলীগের নির্বহী সদস্য জাকির হোসেন ২ ভোট কম পান। ভোরদের ভাষ্য মতে, এই দুই প্রার্থীর মধ্যে উপজেলা পরিষদের পশ্চিমদিকের ইউনিয়ন গুলোতে মসিউর রহমান মামুনের অবস্থান বেশ পোক্ত। পূর্ব দিকের ইউনিয়নে জাকির হোসেনের নাম বেশী শুনা যাচ্ছে। তবে পূর্ব দিকের ৪টি ইউনিয়নের সমান পশ্চিম দিকের বাঘড়া ও ভাগ্যকূল এই ২ ইউনিয়নে ভোটারের পরিমাণ। ওই ২টি ইউনিয়নে রয়েছে প্রায় অর্ধ লক্ষ ভোট। এখানে নৌকা প্রতীকের প্রভাবও কম নয় বলে দাবী করেন তাদের নেতাকর্মীরা। ১৪ টি ইউনিয়নে ভোটের পরিমাণ যাই হোকনা কেন বিদ্রোহী প্রার্থীদের সমিকরণ মিলাতে হলে ভোটর উপস্থিতি বাড়াতে হবে।

Leave a Reply

You can use these HTML tags

<a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

  

  

  

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.