পাঠক সংখ্যা

  • 6,950 জন

বিভাগ অনুযায়ী…

পুরনো খবর…

হোটেলে তরুণ-তরুণীর লাশ রহস্যের কিনারা মিলেনি

সোমবার রাতে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে হোটেলে উঠেছিলেন তরুণ-তরুণী। সেখান থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। কিন্তু কি কারণে কিভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছে এর কোন কিনারা খুঁজে পায়নি পুলিশ। তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থী আমিনুল ইসলাম সজল ও ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মরিয়ম আক্তার জেরিন চৌধুরীর মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। দুজনের এই সম্পর্কের কথা জানতো দুই পরিবার। তবে মেয়ের পরিবার এই সম্পর্কে মেনে নিতে পারেনি স্বাভাবিকভাবে।

জেরিন ঢাকায় আসেন বছর খানেক আগে। ভর্তি হন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটির সংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগে। প্রথমে থাকতেন ফুপুর বাসায়।
ঝিগাতলায়। পাশেই মেসে থাকতেন সজল। আসা যাওয়ার পথে দেখা। এরপর যুক্ত হন ফেসবুকে। সেথেকেই প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয় তাদের মাঝে। পরে জেরিন ড্যাফোডিল ছেড়ে ভর্তি হন ওয়ার্ল্ড ইউনির্ভাসিটিতে। ফুপুর বাসা ছেড়ে হোস্টেলে উঠেন। জেরিন মুন্সিগঞ্জ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাশ করেন।

কলেজে পড়ার সময় প্রেমে পড়েন জেরিন। পরে এ প্রেমের ইতি ঘটে। এরপর থেকে হাসিখুশি মেয়েটি হয়ে যায় বিষাদগ্রস্থ। বিষাদকে সঙ্গি করেই তার ঢাকায় আসা। নতুন প্রেমের সম্পর্কের জেরে ফের ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে সে। তবে বিষাদকে পিছু হটাতে গিয়ে জড়িয়ে যায় নেশার জগতে। সিগারেটের পাশাপাশি অন্য নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ে।

সজলের এক বন্ধু জানান, সজল এর আগে একাধিকবার দেশের বিভিন্ন স্থানে মেয়েকে নিয়ে ঘুরতে গেছিলো বলে শুনেছি। জেরিন ছাড়াও তার আরেকটি প্রেমিকা আছে বলে শুনেছি।

জেরিনের বন্ধু নিশাত আফরিন ও বিজন দাস। তারা প্রত্যেকেই চিনতেন সজল ও জেরিনকে। তারা জানান, তারা বেশ হাসি খুশি ছিলো। তবে জেরিন সম্পর্কের বিষয়ে যতোটা সিরিয়াস ছিলো। সজল ততোটা ছিলো না। মাস খানেক আগে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। মঙ্গলবার রাজধানীর গ্রীণরোডের সম্রাট হোটেলের ৭ তলার একটি কক্ষ থেকে দুই জনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ময়নাতদন্ত শেষে গতকাল বুধবার দুই পরিবার লাশ বুঝে নেন।

তেজগাঁও থানার এস আই আমিনুল ইসলাম জানান, তাদের শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তেজগাঁও থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম বলেন, ময়নাতদন্ত ছাড়া বলা যাচ্ছে না কিছু। তবে ধারণা করছি অতিরিক্ত ওষুধ সেবনের কারণেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।

মানবজমিন

Leave a Reply

You can use these HTML tags

<a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

  

  

  

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.