পাঠক সংখ্যা

  • 8,168 জন

বিভাগ অনুযায়ী…

পুরনো খবর…

যৌতূক না দেওয়ায় অন্তঃসত্ত্বা শান্তাকে খুনের অভিযোগ!

মাত্র সাত মাস হল পারিবারিক ভাবেই বিয়ে হয় শান্তার। নাম যেমন শান্তা স্বভাবের দিক থেকেও তেমনি ছিল শান্ত প্রকৃতির। মুন্সিগজ্ঞ থানা ও জেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের আশুরান গ্রামের রফিকুল ইসলাম শেখের মেয়ে সে। পুরো নাম- সানজিদা আক্তার শান্তা।

বিয়ে হয়েছিল মুন্সিগজ্ঞ থানা ও জেলার অন্তর্গত মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের ঢালিকান্দি গ্রামের আনোয়ার গাজি ও সরিফুন নেছার ছেলে আবুল কালাম গাজীর সাথে।

কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস ১টি বৎসরও সংসার করতেন পারলেন না শান্তা, দেখতে পারলেন না তার গর্ভের ৬ মাসের সন্তানের মুখখানা।

শ্বাশুড়ি ও ননদ ঝুমি বেগম, কলি বেগম, মামা শ্বশুর আমির ঢালির নির্যাতনের শিকার হয়ে ২৬শে এপ্রিল তাকে চলে যেতে হয় ওপাড়ে।

প্রতিবেশিদের সুত্রে জানা যায়, যৌতুক আর পারিবারিক কিছু দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে স্বামী তাকে প্রায়ই মারধর করতো।৪ মাস আগে স্বামী মালয়েশিয়া চলে যাবার পর থেমে থাকেনি শ্বশুর বাড়ির নির্যাতন।শ্বাশুড়ি ননদ ও মামা শ্বশুর প্রায়ই মারধর করতো

শান্তাকে। মাদ্রাসায় পড়ুয়া শান্ত স্বভাবের মেয়ে ছিলো শান্তা। শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনের কথা সে সহজে বাবার বাড়িতে জানাতোনা।

বৃহস্পতিবার বিকালে একটা অনুষ্টানকে কেন্দ্র করে সে তার বাবার বাড়ি আসে পরে শুক্রবার সকাল ৯-১০ টার দিকে স্বামী মালয়েশিয়া থেকে মোবাইলে কল করে খারাপ ব্যবহার করলে সে তৎক্ষণাৎ শ্বশুরবাড়ি চলে যায়। সেখানে গেলে শ্বাশুড়ি আর ননদরা তার পেটে আঘাত করলে সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে।

ধারনা করা হচ্ছে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। কেননা তার মাথায় ও পিঠে ও গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হত্যার পর তাকে ঘরে ফাসিতে ঝুলিয়ে রেখে, ঘরে তালা দিয়ে শ্বাশুড়ি ননদ ও মামা চলে যায়।

শান্তার মা প্রতিবেদককে জানান, শান্তা বৃহস্পতিবার সন্ধায় আমাদের বাড়িতে আসে তার শাশুরী আর জামাইর অনুমতি নিয়েই, আসার পর রাএে্ তার স্বামী ফোনে ৫ লাখ টাকা চায়,

শান্তা দিতে রাজি না হওয়ায় তাকে বকাজকা করে এবং শুএবার সকালে কল দিয়ে বলে আজকে এখনই তার বাড়িতে চলে যাবার জন্য, তারপর সে তার শ্বশুরবাড়ি চলে যায়,

ওখানে তাকে তার শ্বাশুড়ি দুই ননদ এবং মামা শ্বশুর মিলে কি ভাবে যে মেরেছে ভাষায় প্রকার করতে পারবোনা। তারা আমার মেয়েকে মেরে তার হাতের রিং গলার চেন, নাকের নাকফুল,

কানের দুল সব খুলে তাকে গলায় রসিবেধে ঘরে জুলিয়ে রেখে সকলে কোথায় চলে গেছে তাদের কোন খোজ খবর পাওয়া যাচ্ছে না, আমি আমার মেয়ের হত্যার সঠিক বিচার চাই। লাশ বর্তমানে মুন্সিগঞ্জের সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।

মুন্সিগঞ্জ নিউজ

Leave a Reply

You can use these HTML tags

<a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

  

  

  

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.