টঙ্গীবাড়ীতে হাত-পা বেঁধে যুবলীগ নেতাসহ ২ জনকে কুপিয়ে জখম

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার এক যুবলীগ নেতা ও ফল বিক্রেতাকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত যুবলীগ নেতা বাবু হালদার (৩৪)কে মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠান। ফল বিক্রেতা আলামিনকে মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় আহত বাবু হালদারের ভাই শহিদুল হালদার বাদী হয়ে বুধবার (২২ মে) ১টায় টঙ্গীবাড়ী থানায় আমানুল গায়েন, আলামিন, এবাদুল, জলিল গাংয়েন, আফজল, সুমন, রাকিবসহ ১৪ জনকে আসামী করে অভিযোগ করেছেন।


জানা গেছে, টঙ্গিবাড়ী উপজেলার হাসাইল বাজারে ফল বিক্রেতা আল আমিন মিয়ার পায়ের উপর মিশুক উঠিয়ে দেয় মিশুক চালক আমানুর গায়েন। এসময় মিশুক চালক ও ফল বিক্রেতা আলামিনে সাথে হাতাহাতি হয়। বিষয়টি উপজেলার চেয়ারম্যান জগলুল হালদাল মিমাংসা করার জন্য আওয়ামী লীগ নেতা ওসমান মেলকারকে বলে দেন।

ওই দিন রাত ৯টার সময় হাসাইল বাজার থেকে বাবু হালদার, পারভেজ, অরিফ, ফল বিক্রেতা আলামিন ও স্বপন বাড়ীতে যাওয়ার সময় ফুলগাছ তলা ব্রীজের সামনে পৌছালে আসামী গন তাদের উপর লোহার রড ও কাঠের ডাসা দিয়ে হামলা করে আলামিনকে পিটিয়ে আহত করে।

এ সময় যুবলীগ নেতা বাবু হালদারকে জোর করে পাশে আমানুলের বাড়ীতে নিয়ে উঠানে দড়ি দিয়ে হাত পা বেঁধে মাথায় ও বাম পায়ে চাপাটি দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় বাবু হালদারকে উদ্বার করে।

নয়া দিগন্ত
ছবিঃ তপু হালদার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.