মুল সাইটে যাওয়ার জন্য ক্লিক করুন

পাঠক সংখ্যা

  • 10,770 জন

বিভাগ অনুযায়ী…

পুরনো খবর…

মিরকাদিমে খাস জমির মাটি ইটভাটায় বিক্রির অভিযোগ

মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিম পৌরসভার সুধারচর এলাকার ইছামতী নদী ঘেঁষা খাস জমির মাটি কেটে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী একটি চক্রের বিরুদ্ধে। স্থানীয় জাজিরা কোল্ড স্টোরেজের মালিকপক্ষ মো. আবুল হোসেনের লোকজন এ জমির মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ উঠে।

সোমবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে খাস জমির মাটি কেটে ট্রলারে করে নেওয়ার সময় স্থানীয়রা বাধা দেয়। খবর পেয়ে প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে মাটি কাটা বন্ধ করে দেয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, ইছামতী নদীর পাড়ে মাটি ভর্তি ট্রলার আটকে রাখা হয়েছে। পাশেই ফসলি জমি। সেখানে একটি ভেকু মেশিন পড়ে আছে। ফসলি জমির ওপর মাটির বড় বড় স্তূপ। সেখানে একাধিক বিদ্যুতের খুঁটি রয়েছে। চার দিক থেকে মাটি কেটে নেওয়ার ফলে ঝুঁকিতে রয়েছে দুটি খুঁটি।

স্থানীয়রা জানান, মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতরা প্রভাবশালী হওয়ায় তারা কাউকে তোয়াক্কা করে না। ভয়ে স্থানীয়রাও কিছু বলে না। আমরা সকালে দেখতে পাই কোল্ড স্টোরেজ কর্তৃপক্ষ জমির মাটি কেটে ট্রলারে করে অন্যত্র নিয়ে যাচ্ছেন। তারা এমন ভাবে মাটি কেটেছে যে কোনো সময় বিদ্যুতের খুঁটি পড়ে গিয়ে বড় ধরনের অঘটন ঘটতে পারে। বিষটি ভূমি অফিসকে জানানো হয়েছে।

জাজিরা কোল্ড স্টোরেজের মালিক পক্ষ মো. আবুল হোসেন বলেন, যেখান থেকে মাটি কাটা হচ্ছে তা এক সময় পুকুর ছিল। পুকুরের মধ্যেই বৈদ্যুতিক খুঁটি বসানো হয়েছে। মাটি কাটার কারণে খুঁটির কোনো ক্ষতিও হবে না।

তিনি আরও বলেন, এটা তাদের মালিকানাধীন জায়গা। মালিকানা জায়গা কাটতে কারো অনুমতি নেওয়ার দরকার কি? এ সময় তিনি বলেন, মাটি কাটার সময় পৌর মেয়র শাহীনের লোকজন আমার দুইজন কর্মীকে পিটিয়ে আহত করেছে।

মিরকাদিম পৌর মেয়র শহিদুল ইসলাম বলেন, খাস জমির মাটি কাটার সঙ্গে যত প্রভাবশালীই জড়িত থাকুক না কেন কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে জেলা প্রশাসককে জানানো হয়েছে। মাটি কাটার ফলে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটিগুলো খুব ঝুঁকিতে রয়েছে।

রিকাবিবাজার ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. গুলজার হোসেন বলেন, জাজিরা কোল্ড স্টোরেজের লোকজন যেখান থেকে মাটি কেটেছে তা সরকারি জমি। একসময় এটি পুকুর ছিল। স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পেরে আমি সেখানে যাই। পরে বিষটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

দৈনিক অধিকার

Leave a Reply

You can use these HTML tags

<a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

  

  

  

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.