শ্রীনগরে হতদরিদ্রের মাঝে চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে হতদরিদ্রের মাঝে চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার উপজেলার বাঘড়া বাজারের ন্যাশনাল ব্যাংক সংলগ্ন ইউপি চেয়ারম্যান নূরুল ইসলামের মার্কেটে সরেজমিনে এ চাল বিতরণের অনিয়ম চোখে পড়ে।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকার সারা দেশে লকডাউন করায় দিনমজুর থেকে শুরু করে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। তাই সরকার হতদরিদ্রদের মাঝে চাল বিতরণের সিদ্ধান্ত নেয়। এরই অংশ হিসেবে বাঘড়ায় হতদরিদ্রদের মাঝে চাল বিতরণের জন্য ৫৪০টি কার্ড দেওয়া হয়। দেশের চরম দুর্যোগ মুহুর্তে বাঘড়া ইউপি চেয়ারম্যান ঢাকায় অবস্থান করায়, তার ছোট ভাই মুক্তি হোসেন ও ডিলার হোসেন আলীর যোগসাজশে ট্যাগ অফিসারকে অনুপস্থিত রেখে হতদরিদ্রের কাছ থেকে কার্ড প্রতি নেওয়া হয়েছে ৫০ টাকা। প্রতি কার্ড হোল্ডারের কাছ থেকে ৩০ কেজির দাম নিয়ে তাদেরকে ২ কেজি করে চাল কম দেওয়া হয়েছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভূক্তভোগীর অভিযোগ থেকে জানাযায় এসব কথা।

এছাড়া স্বচ্ছল পরিবারের মধ্যে দেওয়া হয়েছে একাধিক কার্ড। অনিয়ম বিষয়ে ডিলার মো. হোসেন আলী বলেন, আমি এইবার নতুন ডিলার। ট্যাগ অফিসার কি? তা জানি না।

এ বিষয়ে বাঘড়া ইউপি চেয়ারম্যান নূরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ঢাকায় আছি। চাল বিতরণের বিষয়টি প্রথমে তিনি অস্বীকার করলেও পরে বলেন, হতদরিদ্রদের চাল বিতরণে অনিয়ম হয়ে থাকলে, ইউএনও সাব আছে, ট্যাগ অফিসার আছে তারা দেখবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসাম্মৎ রহিমা আক্তার বলেন, কেউ অনিয়ম করে থাকলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ২০১৯ সালে নভেম্বর মাসেও বাঘরা ইউপি চেয়ারম্যানের যোগসাজশে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ২৪০ বস্তা চাল কালোবাজারে বিক্রি করে দেয় সংশ্লিষ্ট ডিলার।

কালের কন্ঠ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.