‘গার্মেন্টস খোলায়’ শিমুলিয়া ঘাটে ঠাসা ভিড়

‘কিছু গার্মেন্টস কারখানা খোলায়’ মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে ঠাসাঠাসি করে নদী পারাপার করছে হাজারো মানুষ। তবে ভিড়ের কারণে এ জেলার বিশাল বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন।

শনিবার দেশের দক্ষিণাঞ্চল থেকে হাজার হাজার লোকজনকে ঢাকার দিকে যেতে দেখা যায়।

লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকায় যাত্রীরা ফেরিতে পারাপার হচ্ছেন। ফলে করোনাভাইরাস রোধে সামাজিক দূরত্ব বজিয়ে রাখার আহ্বানের তোয়াক্কা না করে গন্তব্যে যাওয়ার জন্য মরিয়া যাত্রীদের ফেরিতে ঠাসাঠাসি করতে দেখা যায়।

মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জিএম আশরাফুল কবির বলেন, “ঢাকায় কিছু গার্মেন্টস খোলার কারণে লোকজন রাজধানীতে ফিরে আসতে শুরু করেছে।”

লোকজন ফেরিতে করেই পার হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, “এ চাপ সকালের দিকে আরও বেশি ছিল। লোকজন ঠাসাসাসি করে ওঠার কারণে ফেরিতে যানবাহন উঠার জায়গা থাকছে না।”

দুপুরে শিমুলিয়া ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, ফেরিতে হাজার হাজার লোক পদ্মা পাড়ি দিচ্ছে। ঢাকামুখী যাত্রীর চাপই ছিল বেশি।

বাসসহ গণপরিবহন না থাকায় ফেরি থেকে নেমে বিভিন্ন যানবাহনে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছেন সবাই। নসিমন, মাইক্রো ও মোটরসাইকেলসহ নানা ছোট ছোট যানবাহন যে যেটা পাচ্ছেন তাতেই চড়ে বসছেন।

তবে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের লৌহজংয়ের মেদিনী মন্ডলে ডলফিন ট্রেনিং সেন্টারের পাশে সেনাবাহিনীর একটি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। এ চেকপোস্টে কোনো গাড়ি আসলেই সেনাবাহিনীর সদস্যরা তা উল্টোদিকে ফিরিয়ে দিচ্ছে। তাই এসব যানবাহন লৌহজং-টঙ্গবাড়ী-মুন্সীগঞ্জ-নারায়নগঞ্জ হয়ে ঢাকায় যাচ্ছে। ভেতরের এ সড়কগুলোতে পুলিশ বা ট্রাফিকের তেমন বাধা নেই বলে বলে জানা গেছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গত ২৫ এপ্রিল থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ‘সব নিট গার্মেন্টস’ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল অন্তত ২৫ লাখ শ্রমিকের রোজগারের প্রতিষ্ঠান দুই হাজার ২৮৩টি কারখানার সংগঠন বিকেএমইএ। তবে সরকারি ঘরে থাকার কর্মসূচি বাড়িয়ে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত করলেও গার্মেন্টস খোলার পূর্ব ঘোষণায় তারা কোনো পরিবর্তন আনেনি।

বিডিনিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.