করোনা রোগীর চিকিৎসায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই মুন্সীগঞ্জে

শেখ মোহাম্মদ রতন : মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে করোনা রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই। জেলার ৫০ শয্যার এ আইসোলেশন সেন্টারে নেই ভেন্টিলেটশনের ব্যবস্থা। নেই আইসিইউ কিংবা সিসিইউ। শুধুমাত্র অক্সিজেনের সামান্য ব্যবস্থা রয়েছে। এ দিয়েই করোনা রোগীর চিকিৎসায় প্রস্তুত করা হয়েছে আইসোলেশন সেন্টারটি।

জেলার একমাত্র এ জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারের চিকিৎসায় একজন চিকিৎসক, একজন নার্স ও একজন আয়া চিকিৎসা সেবা দেবেন। যা যথেষ্ট নয়।

এদিকে, বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাত থেকে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মুন্সীগঞ্জে নতুন করে ১৩ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে গেল সাত দিনে জেলায় সর্বমোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৭ জনে। অথচ একজন করোনা আক্রান্ত রোগীরও ঠাঁই হয়নি জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে।

মুন্সীগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. আবুল কালাম আজাদ জানান, মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের নতুন ভবনে করোনা রোগীর চিকিৎসায় গত ৮ এপ্রিল আইসোলেশন সেন্টার প্রস্তুত ও চালু করা হয়।

করোনা রোগীর চিকিৎসায় প্রস্তুত রয়েছে সেন্টারটি। তবে সেখানে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের ১৮ চিকিৎসকের মধ্যে প্রতিদিন একজন করে চিকিৎসক করোনা রোগীর চিকিৎসায় নিয়োজিত থাকবেন।

তবে এই আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তির পর কোনো রোগীর শারিরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে তাৎক্ষণিক ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠাতে একটি অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডা. আবুল কালাম আজাদ।

তিনি বলেন, ‘করোনা রোগীদের জন্য ৫০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার মজুদ রাখা হয়েছে। মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল ছাড়াও জেলা সদরের বাইরে পাঁচটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা রোগীর চিকিৎসায় পাঁচ শয্যার আইসোলেশন সেন্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এরমধ্যে জেলার সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশন সেন্টারে দুজন করোনা আক্রান্ত রোগীকে ভর্তি রাখা হয়েছে।’

রাইজিংবিডি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.