মুন্সীগঞ্জে আরও ৮ জনের করোনা শনাক্ত, জেলায় মোট ৫১

নাসির উদ্দিন: মুন্সীগঞ্জে নতুন করে আরও ৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে পল্লী বিদ্যুত সমিতির মৃত লাইনম্যান রয়েছেন। এই নিয়ে জেলায় শনাক্ত সংখ্যা ৫১ এবং মৃত ৬। এর মধ্য দিয়ে শনাক্ত সংখ্যা অর্ধশত ছাড়ালো। এই আট জনের মধ্যে চার জনই নারী। নতুন আক্রান্তের মধ্যে সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স চালক রয়েছেন। তিনি অ্যাম্বুলেন্স রোগী বহন করেছিলেন। তার অসর্তকতার কারণেও আক্রান্তের তালিকায় পড়েগেছেন উল্লেখ করে সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য বিভাগের সকলকে সর্তকতার সাথে দায়িত্ব পালনের অনুরোধ জানান।

রবিবার পাঠানো ৭০ জনের সোয়াব পরীক্ষার রিপোর্ট এর মধ্যে ৩৩টি আসে মঙ্গলবার দুপুরে । সোমবার বিকালে আসে ২৯ জনের । এই নিয়ে ৭০ জনের মধ্যে রিপোর্ট এসেছে ৬২টি। রবিবারের ৭০ জনের মধ্যে বাকি থাকলো আরও ৮টি । রবিবার সংগ্র করা সোয়াবের মধ্যে সদরের ৭ এবং গজারিয়ার ১টির রিপোর্ট এখনও আসেনি।

মঙ্গলবার আসা রিপোর্ট অনুযায়ী সদরে তিন জনের মধ্যে আক্রান্ত হয়েছে মুন্সীগঞ্জ সদরে জোরার দেউল গ্রামের একই পরিবারের পুরুষ (৩৫), মহিলা (৫৫) এবং সিপাহিপাড়া পল্লী বিদ্যুত সমিতির মৃত লাইনম্যান (৫০) । সিরাজদিখানের চার জনের মধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স চালক (৪৫) , ইছাপুরা গ্রামের মহিলা (৩৫), আকবরনগর গ্রামের মহিলা (৫০) এবং কুচরামোড়া গ্রামের পুরুষ (৬০)। এছাড়া শ্রীনগর উপজেলার গোল্ডেন সিটির এক কন্যা শিশু (৯)।

সদরের এই তিন জনের মধ্যে দু’জনই গত বৃস্পতিবার রাতে জেড়ার দেউল গ্রামে করোনায় মারা যাওয়ার বৃদ্ধ (৭৭) এর পরিবারের। তার স্ত্রী ও পুত্র। শ্রীনগর উপজেলার গোল্ডেন সিটির শিশুটির বাবা ও মায়ের রিপোর্টও এর আগে পজেটিভ আসে। সিরাজদিখানের ইছাপুরা গ্রামের নতুন শনাক্ত মহিলার পরিবারেরও আকেজনের এর আগে সনাক্ত হয়।

মুন্সীগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা, আবুল কালাম আজাদ সভ্যতার আলোকে জানান, রবিবার পাঠানো ৭০ জনের সোয়াব পরীক্ষার আসা ৬২ জনের মধ্যে ৮ জন পজেটিভ হলেও বাকীরা ৫৪ জনের করোনা নেই। তিনি জানান এখনও রিপোর্ট পেন্ডিং রয়েছে রবিবারের ৮, সোমবারের ৫০ ও মঙ্গলবারের ৩৩। অর্থ্যাৎ ৯১ জনের রিপোর্ট পেন্ডিং রয়েছে। সোমবার পাঠানো ৫০ জনের রিপোর্টও আজ মঙ্গলবার আসার কথা ছিল।

মুন্সীগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা, আবুল কালাম আজাদ সভ্যতার আলোকে আরও জানান, এ পর্যন্ত মুন্সীগঞ্জ জেলায় ৫১ জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৬ জন মৃত। মোট শনাক্তদের মধ্যে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলায় ১২ জন, গজারিয়ায় ৮ জন, টঙ্গীবাড়িতে ১০ জন, সিরাজদিখানে ১১ জন, শ্রীনগরে ৫ জন এবং লৌহজং উপজেলায় ৫ জন।

এ পর্যন্ত ৪০৬ জনের সোয়াব পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৩১৫ জনের রিপোর্ট এসেছে। এখনও রবিবারের ৮, সোমবারের ৫০ ও মঙ্গলবারের ৩৩ মিলে ৯১ জনের রিপোর্ট আসেনি।

সূত্র: দৈনিক সভ্যতার আলো

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.