মুন্সীগঞ্জে সাটারে তিন টোকা দিলেই খুলে যায় দোকান

মার্কেটে চলছে কেনাকাটার ধুম
সাটারে তিন টোকা দিলেই খুলে যায় মুন্সীগঞ্জের বিপনী বিতানসহ লকডাউনে বন্ধ থাকা দোকানগুলে। করোনা পরিস্থিতিতে আইনসৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে তিন টোকাসহ বিভিন্ন কৌশলে মার্কেটের দোকানগুলো খোলা রেখেছে দোকান মালিকরা।

বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই দোকান এবং মার্কেটের ভিতরে চলছে কেনাকাটার ধুম।

লকডাউনের কারণে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রাখার পর সংসার খরচ ও কর্মচারীর বেতন নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন মুন্সীগঞ্জের দোকান মালিকরা। তাই এই অভিনব পন্থা বেছে নিয়েছেন তারা।

শহরজুড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নজরদারির মধ্যেও থেমে নেই সাধারণ মানুষের কেনাকাটা। হাট বাজারগুলোতে বেড়েই চলছে ক্রেতাদের ভিড়।

সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে শহরের প্রধান মার্কেট, কসমেটিক, ক্রোকারিজ ও পাইকারি কাপড়ের দোকানসহ খোলা রয়েছে প্রায় শতাধিক দোকান।

মার্কেটের দোকানিরা সাটার নামিয়ে ভিতরে ক্রেতার অপেক্ষা বসে থাকেন। ক্রেতারা এসে সাটারে তিন টোকা দিলেই খুলে ক্রেতাদের ভিতরে ঢুকিয়ে নেন। তারপর ক্রেতাদের পণ্য কেনা শেষ হলে আবার সাটার খুলে তাদেরকে বের করে দেন।

অনেক দোকানি সামনে টুল দিয়ে নিজস্ব লোক বসিয়ে রাখে ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য। বাইরে থেকে অনেক সময় বোঝার উপায় নেই যে ভিতরে চলছে কেনাকাটা।

দোকানের ভিতরে ঢুকলে দেখা যায়, নারী পুরুষ গাদাগাদি করে কেনাকাটায় ব্যস্ত। ক্রেতা-বিক্রেতা কেউই মানছেন না সামাজিক দূরত্ব। এতে করে এখান থেকে সংক্রমণ ছড়াতে পারে।

প্রশাসনের নজর এড়িয়ে প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চলে এই দোকানগুলোতে বেচা কেনা। পাশাপাশি খোলা রয়েছে ফুটপাতের কাপড় বিক্রির দোকানগুলোও।

একদিকে করোনা মোকাবেলায় শিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন এবং সরকার। অন্যদিকে কিছু বেপরোয়া অসচেতন মানুষ এভাবেই প্রতিদিন অমান্য করছে সরকারি নির্দেশনা।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুক আহাম্মেদ জানান, মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা অব্যাহত আছে। মার্কেট এবং বিপনী বিতানগুলো খোলা রাখার বিষয়টি শুনেছি। আমাদের পুলিশ, সেনাবাহিনী এবং জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটারা রাস্তায় টহলে আছে। কাউকে দোকান বা মার্কেট খোলা অবস্থায় পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

যুগান্তর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.