মুন্সীগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসে গুলি

অজ্ঞাতরা দুর্বৃত্তরা মুন্সীগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ভবনে গুলি ছুড়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) খন্দকার আশফাকুজ্জামান সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেছেন, ‘ঘটনাটি তদন্তাধীন। বিস্তারিত পরে জানা যাবে।’

কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘গুলির খোসাসহ অন্যান্য আলামত জব্দ করা হয়েছে। প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।’

করোনাভাইরাসের অবরুদ্ধ অবস্থার মধ্যে রোববার রাত পৌনে ৮টায় সেখানে পরপর দু’টি গুলি করা হয়। ভবনের তৃতীয় তলার প্রকৌশল অধিদপ্তরটি নির্বাহী প্রকৌশলী কক্ষের জানালা ভেদ করে গুলি ভেতরে প্রবেশ করে বলে জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ভয়ভীতি দেখিয়ে তিন কোটি টাকার কাজ বাগিয়ে নেয়ার জন্য এ গুলি বর্ষণ হতে পারে।

নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম জানান, ৮টি প্যাকেজে প্রায় ৭ কোটি টাকার সাবমার্সেবল পাম্পসহ নলকূপ ও ওয়াশব্লক নির্মাণের টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ কাজগুলোতে ১০ জন ঠিকাদার অংশ নিয়েছেন।

‘এখনও পরিস্কার নয় কারা এবং কী কারণে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।’

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ওসি আনিচুর রহমান বলেন, ‘করোনার এই দুর্যোগের মধ্যেও মূল শহরের ভেতরে এ ঘটনা পুলিশকে চ্যালেঞ্জে ফেলেছে। পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। তবে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে এজাহার দেয়া হলে কাজ করা সহজ হতো।’

পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন পিপিএম বলেন, ‘তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ কর্মকর্তারা গিয়েছেন। আমাদের অবস্থান থেকে যা যা প্রয়োজন সবই করা হচ্ছে। সরকারি কর্মকর্তার কক্ষে গুলির এ ঘটনা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এ ঘটনার সাথে যার ছেলে-মেয়েই জড়িত থাকুক না কেন-তাকে আইনে আওতায় নিয়ে আসা হবে। এখন লিখিত অভিযোগ পেলেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

বাংলাদেশ জার্নাল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.