মুন্সীগঞ্জে করোনার প্রভাবে বিপর্যয়ে পোল্ট্রি খাত

মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দেশব্যাপী চলছে ঘোষিত অঘোষিত লকডাউন। বন্ধ রয়েছে সকল প্রকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ৫ মে পর্যন্ত বেড়েছে সরকারি ছুটি। কয়েক দফায় সরকারি ছুটি বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন মুন্সীগঞ্জের দিনমজুর ও শ্রমজীবী মানুষ।

সারাদেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ও প্রশাসনিক নির্দেশনার ঐক্য নীতি প্রভাব ফেলেছে মুন্সীগঞ্জের ৬ উপজেলার পোলট্রি খামারীদের উপর। ফলে চরম লোকসান গুনতে হচ্ছে খামারীদের। চলতি মাসে উপজেলার খামারগুলোতে চাহিদা অনুযায়ী পোল্ট্রি মুরগি উৎপাদিত হলেও বাজারজাত করতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা।

অন্যদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানসহ সকল অনুষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করায় মুরগির দামও কমে গেছে অনেকটা। উৎপাদন খাদ্যসহ আনুষঙ্গিক খরচ বহনেও গুণতে হচ্ছে দ্বিগুণ লোকসান। অন্যদিকে যুব উন্নয়ন অধিদফতর থেকে নেয়া ঋণের মাসিক কিস্তি পরিশোধ করতে হিমশিম খাচ্ছে খামার মালিকরা। কিস্তি পরিশোধের জন্য কম দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে মুরগি।

যুব উন্নয়ন অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, গত বছর জেলার বেকারত্ব দূর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন এলাকার প্রায় ৫শ যুবককে ঋণ সুবিধা দেয়া হয়। সেই সাথে তাদের মুরগি, গরু ও মাছের খামার পরিচালনা করে বেকারত্ব দূর করার প্রশিক্ষণও দেয়া হয়। সরকারী নিয়ম অনুযায়ী ঋণ নেয়ার প্রথম তিন সপ্তাহ পর থেকে মাসিক কিস্তির মাধ্যমে ঋণ পরিশোধ করে আসছেন তারা।

সিরাজদিখান উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ডলি রানী জানান, ‘এ উপজেলায় প্রায় ৫শ যুবক আমাদের এখান থেকে ঋণ নিয়ে গরু, মুরগী, ও মাছের খামার করেছেন। এখনও তাদের কিস্তি প্রদান চলমান আছে। তবে গত মাসে কেউই কিস্তি পরিশোধ করেননি। আমরা করোনাভাইরাসের কারণে কাউকে কিস্তি আদায় জোরও করিনি। কিস্তি বন্ধ রয়েছে। এবিষয়ে সরকার থেকে আমাদের কাছে কোনো চিঠিপত্রও আসেনি।

বার্তা২৪

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.