টঙ্গীবাড়ীতে জাটকা ইলিশ ও পাঙ্গাসের পোনা বিক্রির ধুম

মোজাফফর হোসেন: মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় জাটকা ইলিশ ও পাঙ্গাসের পোনা বিক্রির ধূম পড়েছে। মুন্সীগঞ্জ, শরীয়তপুর ও মাদারীপুর জেলার পদ্মা ও মেঘনা নদীতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এ সমস্ত জাটক ইলিশ ও পাঙ্গাসের পোনা ব্যাপক হারে নিধন করা হচ্ছে। পরে টঙ্গীবাড়ী উপজেলার দিঘিরপাড় ও হাসাইল মাছ ঘাট দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার হচ্ছে।

এছাড়া উপজেলা রদিঘীর পাড়, হাসাইল মাছ ঘাটসহ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে এবং গ্রামে ঘুরে ঘুরে মাছ বিক্রেতারা এই সমস্ত জাটকা ইলিশ ও পাঙ্গাসের পোনা বিক্রি করছেন। অবাধে জাটকা ইলিশ ও পাঙ্গাসের পোনা বিক্রি চললেও মৎস্য বিভাগ, টঙ্গীবাড়ী উপজেলা প্রশাসন ও কোস্টগার্ডের তেমন ভূমিকানা থাকায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকলে এভাবে অবাধে জাটকা ইলিশ ও পাঙ্গাসের পোনা শিকার করা সম্ভব হতোনা। বিভিন্ন এনজিওর কিস্তি এবং মহাজনের দাদন পরিশোধের জন্য জেলেরা কারেন্ট জাল নিয়ে নদীতে মাছ ধরতে বাধ্য হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তারা। সরেজমিনে টঙ্গীবাড়ী উপজেলার হাসাইল মাছঘাটে গিয়ে দেখা গেছে বেশ কিছু অসাধু আড়ৎ দার এই সমস্ত মাছ বিক্রিতে ব্যস্ত।

এছাড়াও উপজেলার পাচগাও, সিদ্ধেশ্বরি, বাঘিয়া, বালিগাও, বেতকা, আবদুল্লাহপুর বাজার এবং মান্দ্রা, ধীপুর, রাউৎ ভোগ, কামার খাড়া, ভিটিমালধা গ্রামে ঘুরে ঘুরে অবাধে জাটকা ইলিশ ও পাঙ্গাসের পোনা বিক্রি করতে দেখা গেছে। এছাড়া রাতের অন্ধকারে পিকআপ ভ্যানে করে কেরানীগঞ্জ,নারায়নগঞ্জ,ঢাকা জেলার বিভিন্ন আড়তে পাচার করা হচ্ছে এ সমস্থ জাটকা মাছ। এ বিষয়ে টঙ্গীবাড়ী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জাকির মৃধা জানান, করোনার মধ্যে কিছু অসাধু মৎস্য জীবি এসব মাছ শিকার করছে। তবে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এই মাসেও বেশ কয়েকটি অভিযান পরিচালনা করে কয়েক জনকে জরিমানা করা হয়েছে। আমরা নিয়মিত খোঁজ খবর নিচ্ছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.