সিরাজদিখানে যত্রতত্র ড্রেজারের পাইপ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

মো.নাছির উদ্দিন: মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে যত্রতত্র ড্রেজারের পাইপের কারণে সাভাবিক যোগাযোগ ব্যহত অন্যদিকে রাস্তার ওপর পাইপ রাখায় চলাচলের জন্য অনুপযোগী হয়ে উঠছে রাস্তাগুলো । সরজমিনে দেখা যায় উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের প্রায় শতাধিক স্থানে প্রধাণ সড়কের ওপর বালি উত্তোলনের পাইপ রেখে তার ওপর মাটি ইটের ভাঙ্গা দিয়ে উঁচু করেছেন ড্রেজার ব্যবসায়ীরা।

এতে রাস্তা খানাখন্দে পরিণত হচ্ছে। এছাড়াও ড্রেজার পাইপ রাখার কারণে ওই রাস্তা দিয়ে যাত্রী নিয়ে প্রায় রিকশা ও ইজি বাইকসহ বিভিন্ন ধরনের ভারী যান চলাচলে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে ও প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। অনেক ইজি বাইক চালক যাত্রী নিয়ে অতিকষ্টে যাতায়াত করছে এই রাস্তায়। এছাড়া খাল দিয়ে বালুবাহি বাল্কহেড চলাচলের ফলে খালের পাশের বাড়ির পার ভেঙ্গেযাচ্ছে এ ব্যাপারে জরুরিভাবে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সমাজ কমী বলেন , কোন ধরনর সরকারী অনুমতি ছাড়াই সরকারী রস্তার বিশাল অংশ দখর করে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নেই অবাধেই চলছে অবৈধ ড্রেজার ব্যবসা। ড্রেজারের পাইপ দিয়ে ফসলি জমি ভারাটের মহা উৎসব চলছে।

ভুক্তভোগী রিকশা চালক আবুল কালাম বলেন, রাস্তার উপর পাইপ রাখায় আমাদের গাড়ি চালাইতে খুব কষ্ট হয়। মাঝে মাঝেই রিকশার ফ্রক ভেঙ্গে যায়। প্রায় রাতেই দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়। আমাদের খালপার থেকে নিমতলা ৪-৫ কিলোমিটার রাস্তার উপরে ৮-১০টি পাইপ আমরা খুব বিপদে আছি। রাস্তার উপর থেকে পাইপ গুলো সরালে আমরা একটু সান্তিতে গাড়ি চালাইতে পারব আর পালিকের গালি থেকেও রক্ষা পাব।

মুন্সীগঞ্জের জেলা পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ আহবায়ক .আবুল হোসেন ভুইয়া বলেন, পাইবগুলোর কারণে যানচলাচল বাধার দৃষ্টি হচ্ছে। প্রতিনিহত যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে। মালিক শ্রমিকরা ক্ষতি গ্রস্ত হচ্ছে। আমরা প্রশাসনের দৃষ্টি কমনা করছি।

এ বিষয়ে ড্রেজার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা সাংবাদিক দের সাথে কথা বলতে রাজি হননি।

সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ ফয়েজুল ইসলাম বলেন, আমি নতুন এসেছি আপনাদের মাধ্যমে জানতে পাড়লাম আমরা দ্রুতই এই ড্রেজার গুলো অপসারনের ব্যাবস্থা করব

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.