সিরাজদিখান ভূমি অফিসে ভোগান্তি, ফাইল গায়েব!

নাছির উদ্দিন: সিরাজদিখানে ভূমি অফিসে ভোগান্তির শেষ নেই, ফাইল গায়েব! দীর্ঘদিন ধরে এ উপজেলার সাধারণ মানুষ তার জমি সংক্রান্ত নানা জটিলতায় ভুগছেন। সহকারি কমিশনার (ভূমি) অফিসে এসেও কোন সমাধান পাচ্ছেন না। এমন কি সরকারের রাজস্ব আদায়ে লীজকৃত সম্পত্তির খাজনা বা নবায়ন করতে এসেও ভাগান্তিতে পরে মাসের পর মাস হয়রানী হচ্ছেন অনেকে।

ভুক্তভোগী উপজেলার মালখানগর গ্রামের নিমাই দাস জানান, মালখানগর মৌজার লীজ সম্পত্তির ভিপি কেস নং ১৫/৮৬ নবায়ন করতে এসে প্রায় দুইমাস ধরে হয়রানি হচ্ছি। ইউনিয়ন ভুমি অফিসে কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর তারা রিপোর্ট পাঠান উপজেলা ভূমি অফিসে। সেখানে যোগাযোগ করার পর নাজির মজিবর রহমার ৮ হাজার টাকা কাজ করে দেওয়ার জন্য দাবী করেন। সেখানে তাকে ৪ হাজার টাকা দিয়েছি। আমি বিদেশে ছিলাম আগে আমার বাবা খাজনা দিত সে মারা গেছে। কাজ করে দেই দিচ্ছি করে সে দেড় মাস ধরে ঘুড়াচ্ছে। তখন আমি অনেকের সাথে কথা বলে অবগত হই খাজনা ছাড়া আর কোন টাকা লাগে না। গত (২৬ জানুয়ারী) মঙ্গলবার নাজির আমাকে বলে ফাইল পাওয়া যাচ্ছে না। আপনারা স্থানীয় ভূমি অফিসে যোগাযোগ করেন। আমি স্থানীয় ভূমি অফিসে যোগাযোগ করলে নায়েব জানান উপজেলা ভূমি অফিস আমাদের ফাইল পাঠায় নাই। গতকাল আবার উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির মজিবর রহমানের সাথে দেখা করি। তিনি আমাকে বলেন ১৫/২০ দিন পর যোগাযোগ করেন, কোনো মামলায় ফাইল কোর্টে পাঠানো বা অন্য কোথাও আছে কি-না খুঁজে দেখতে হবে।

নাজির মো. মজিবর রহমান এ বিষয়ে বলেন, লীজ সম্পত্তি নবায়নের জন্য তারা আবেদন করেছে। তাদের সমস্যা হবে না ডিসিআর তাদের আছে। ৪ বছরের খাজনা তাদের বাকি আছে। মালখানগর ভূমি অফিসে ইনকোয়ারি পাঠানো হয়েছিল। রিপোর্ট এসেছে। ফাইল গায়েব হয় নাই। কোন মামালা থাকলে মুন্সীগঞ্জ পাঠানো হতে পারে। কানুনগো বা ান্য কারো কাছে থাকলে খুঁজে দেখা হচ্ছে। পাওয়া না গেলে নতুন ফাইল করে তাদের নবায়ন করা হবে। এটা নিয়ে কোন সমস্যা নাই। আমি মাত্র ২ মাস হয় এখানে এসেছি। আগে ফরিদ সাহেব ছিলো তার সাথেও যোগাযোগ করা হচ্ছে। আমি কোন টাকা নেই নাই। বর্তমানে খাজনা ৪ গুণ বাড়ানো হয়েছে, এ বিষয়ে কথা হতে পারে।

এ বিষয়ে সিরাজদিখান উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) আহমেদ সাব্বির সাজ্জাদ বলেন, বিষযটি আমি জানি না। আপনার কাছ থেকে শুনলাম। বিষয়টি আমি দেখবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.