হেফাজতের ‘নায়েবে আমিরের সহযোগীর’ রিমান্ড শুনানি আগামী মঙ্গলবার

সাম্প্রতিক হামলা-ভাংচুরের ঘটনায় হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির আব্দুল হামিদের এক ‘সহযোগীর’ রিমান্ড আবেদনের শুনানি আগামী মঙ্গলবার ধার্য করেছে আদালত।

মঙ্গলবার বিকালে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান থানার পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে তাকে আদালতে পাঠায়।

ভার্চুয়াল আদালতের বিচারক জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম ইমদাদুল হক এই রিমান্ড শুনানির দিন আগামী মঙ্গলবার ধার্য করে আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন বলে জানায় পুলিশ।

গ্রেপ্তার আবদুল মতিন (৫২) হেফাজতে ইসলামের ‘নায়েবে আমির আব্দুল হামিদের সহযোগী’। তিনি সিরাজদিখানের মধুপুর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে। আগের রাত ৮টার দিকে তাকে কেরাণীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুর থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

সিরাজদিখান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. কামরুজ্জান বলেন, আবদুল মতিন সিরাজদিখানের মধুপুর মাদ্রাসার পরিচালক ও হেফাজতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির আব্দুল হামিদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী।

“হামলার সংক্রান্ত তথ্যসহ পলাতক আসামিদের খোঁজ নেওয়ার ব্যাপারে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ জরুরি, তাই রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।”

মুন্সীগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক জামাল উদ্দিন জানান, আসামিকে বিকালে কোর্ট পুলিশের কাছে আনা হয়। তাই রিমান্ড শুনানির মত সময় না থাকায় পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছে আদালত।

গত ২৮ মার্চ হেফাজতের ডাকা হরতালে পুলিশের উপর হামলাসহ বিশৃঙ্খলা এবং আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বাড়ি-ঘর ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাটের ঘটনায় সিরাজদিখান থানায় ১০টি মামলা হয়েছে। এর নয়টি মামলাতেই আবদুল মতিনকে আসামি করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।

এ ১০ মামলায় এখন পর্যন্ত পুলিশ ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে এখন মূল আসামিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে বলছে পুলিশ।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় হামলা, ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মীরা জড়িত অভিযোগে ধর-পাকড় চলছে। এরই মধ্যে হেফাজতের বেশ কয়েকজন নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বিডিনিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.