রামপালে চাঁদা চাইতে গিয়ে গণধোলাইয়ের শিকার

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার রামপাল ইউনিয়নের উত্তর কাজী কসবা এলাকায় প্লাস্টিকের মাদুর কারখানায় পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা চাওয়ায় তিনজনকে গণধোলাই দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কারখানার মালিক মিল্লাত।

উত্তর কাজী কসবা প্লাস্টিকের কারখানায় শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

চাঁদা চাইতে যারা এসেছিলো তাদের নাম মাসুদ রানা, জসিম ও শওকত। দু’টি মোটরসাইকেল নিয়ে তারা চাঁদা দাবি করতে এসেছিলো বলে জানান তিনি।

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে হাতিমারা ফাঁড়ির এসআই শ্রীবাস।

কারখানার মালিক মিল্লাত জানান, উত্তর কাজী কসবা প্লাস্টিকের কারখানা তৈরি করার জন্য সেট তৈরির কাজ শুরু করেছি। এখানে এসে তিনজন লোক মোটরসাইকেলে এসে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা চায়। পরে তাদেরকে শ্রমিকরা গণধোলাই দিয়ে ছেড়ে দিয়েছে। এ সময় তারা দু’টি মোটরসাইকেল রেখে পালিয়ে গেছে।

পরে বিষয়টি রামপাল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও হাতিমারা ফাঁড়ির ইনচার্জকে জানিয়েছি। মোটরসাইকেল দু’টি হাতিমারা ফাঁড়ির পুলিশ নিয়ে গেছে।

মালিক আরো জানান, লেবারদের কাছে তারা বলেছে পঞ্চসার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের ম্যানেজার সে। তাদের চাঁদা না দিয়ে কোনো কারখানা তৈরি করা যাবে না।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাসুদ রানা ও শওকতসহ দু’জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ফোন করে কাউকে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে হাতিমারা ফাঁড়ির ইনচার্জ ইনস্পেক্টর নাসির জানান, পাঁচ লাখ টাকা চাঁদার বিষয়ের কোনো অভিযোগ আসেনি।

হাতিমারা ফাঁড়ির এসআই শ্রীবাস জানান, উত্তর কাজী কসবা ঘটনাস্থল থেকে দু’টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে নিয়ে এসেছি। লিখিত অভিযোগের জন্য সদর থানায় পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল জানান, ঘটনাটি জানি না। আপনার মাধ্যমে জানলাম। বিষয়টি দেখবো।

নয়া দিগন্ত

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.