মুন্সীগঞ্জে প্রতিপক্ষের হামলায় ৭ নারীসহ আহত ১২

মুন্সীগঞ্জের চরাঞ্চলের খাসকান্দি গ্রামে প্রতিপক্ষের হামলায় সাত নারীসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার চরাঞ্চলের চরকেওয়ার ইউনিয়নের খাসকান্দি গ্রামে এ হামলা হয়।

যদিও হামলার বিষয়টি অভিযুক্ত শামসুদ্দিন হালদার মামুন অস্বীকার করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, এক বছর ধরে ওই এলাকার শামসুদ্দিন হালদার (মামুন) ও নজির হালদারের নেতৃত্বাধীন বিবাদমান দু’টি গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এই বিরোধকে কেন্দ্র করে এক বছরে অন্তত আটবার সংঘর্ষে জড়িয়েছে গ্রুপ দু’টি। এ সব ঘটনায় একাধিক মামলা হলেও থামছে না সহিংসতা হানাহানি।

এর ধারাবাহিকতায় বুধবার সকালে শামসুদ্দিন হালদার মামুন পক্ষের লোকজন প্রতিপক্ষ নজির হালদার গ্রুপের এলাকায় নারীদের ওপর হামলা চালিয়ে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধি ময়না বেগম (৪০), হাসি বেগম (৪৫), মুক্তা (৩০), মিশু (২৫), বুলু বেগম (৪০), শিল্পি বেগম (৪০), রমজান ঢালী (৬০), সাহিদা বেগম (৫৫) ও তার ছেলে আল-আমিনকে আহত করেন।

এর আগে মারামারি মামলায় মঙ্গলবার জামিন পেয়ে বাড়িতে আসা নুরু চোকিদারকেও মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে হামলাকারীরা।

আহত শাহনাজ বেগম বলেন, দুপুরে হঠাৎ করে মামুন হালদারের পালিত সন্ত্রাসী সোনা মিয়া তার ছেলে বাবুল, ইসলাম ও আমিনুল গ্রামে ডুকে নিরীহ নারীদের মারধর করে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বলে।

শামসুদ্দিন হালদার মামুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমার কোনো গ্রুপ নেই। আমি ব্যবসা করি। আমি কোনো মারামারির মধ্যে নেই। যারা বলছে, মিথ্যা বলেছে। পরে নামাজ পড়ার কথা বলে তিনি ফোনটি কেটে দেন।

এ ব্যাপারে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

নয়া দিগন্ত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.