লকডাউনের ৭ম দিনেও মুন্সীগঞ্জে আইনশৃঙ্খলার কড়াকড়ি, মাঠে নেমেছে পৌর মেয়র

জাফর মিয়া: মুন্সীগঞ্জে কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছে মুন্সীগঞ্জ পৌর মেয়র হাজী ফয়সাল বিপ্লব। তিনি বুধবার সকাল থেকে ঘুরে ঘুরে পৌর এলকার বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় বাঁশ দিয়ে সড়ক আটকে দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে শহরে যানবাহন শূণ্য হয়ে পরেছে। করোনা প্রার্দূভাব রোধে তার এমন কঠোরত।

এছাড়াও লকডাইন শতভাগ বাস্তবায়নে জেলায় ৩ প্লাটুন সেনাবাহিনী ও দুই প্লাটুন বিজিবি,জেলা পুলিশের ৩ শতাধিক সদস্যসহ ও প্রশাসন থেকে কড়াকড়ি অবস্থান নেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় দফা ঘোষনা কৃত লকডাউন ১৪ জুলাই পর্যন্ত।

লকডাউন কেন্দ্র করে দেশজুড়ে কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে, জেলা শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মানা সহ ঘরে রাখতে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। লকডাউন বাস্তবায়নে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে জেলাজুড়ে সব স্থানেই ছিল জনশূন্য তা। জেলা সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য মতে জেলা বিগত ২৪ ঘন্টায় ৭৪ ও আগের রিপোর্ট না পাওয়া নমুনাসহ ২০১ জনের রিপোর্টে নতুন করে ৬৭ জন করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে।

এই পর্যন্ত জেলায় মোট নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ৩১ হাজার ৪৭৬ জনের। এর মধ্যে রিপোর্ট পাওয়া গেছে ৩১ হাজার ২১৩ জনের। যার মধ্যে করোনা পজেটিভ হয়েছে ৬ হাজার ৩৯৪ জন,সুস্থ্য হয়ে বাড়ী ফিরেছেন ৫ হাজার ৯৮২ জন। জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে এই পর্যন্ত মৃত্যু বরণ করেছে ৭২ জন। যার মধ্যে গত ২০২০ সালে ৬৯ জন ও চলতি বছরের মাত্র ৩ জন। তবে বর্তমানে জেলার বিভিন্ন স্থানে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে ২২৮ জন। এব্যাপারে মুন্সীগঞ্জ পৌর মেয়র হাজী ফয়সাল বিপ্লব বলেন,সরকারে ঘোষণা অনুযায়ী জেলায় কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে ও সঠিক ভাবে মানুষের মাঝে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে কাজ করে যাচ্ছি। এছাড়াও স্বাস্থ্যকর্মি ও আইনশৃঙ্খলা বাহীনির সদস্যরা মাঠে শর্তক অবস্থানে রয়েছে। তিনি সকালকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাড়ীতে থাকা আহবান জানান।

এদিকে জেলার গজারিয়ায় করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত চলমান কঠোর লকডাউনের ৭ম দিনে আইন না মানায় ৫টি মামলা হয়েছে। ভ্রাম্যমান আদালতে মাস্ক না পরায় জরিমানা আদায় করা হয়েছে ২৫০০টাকা। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট স্বরাষ্টমন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সহকারি সচিব মো: রেজাউল করিম ও গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী, সেনাবাহিনীর লে. কর্ণেল আরিফুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম, গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো: রইছ উদ্দিন, ইমামপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মনসুর রহমান জিন্নাহ উপস্থিত ছিলেন।

খবরাখবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.