সিরাজদিখানে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে ধান রোপন কার্যক্রমের উদ্বোধন

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে প্রথমবারের মতো রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে রোপা আমন ধান প্রদর্শনীর রোপন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। তেল জাতীয় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১ টার দিয়ে উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের লালবাড়ি কৃষি জমি এলাকায় উপজেলা কৃষি অফিসের বাস্তবায়নে এসিআই মটরস এর সহযোগিতায় এ রোপা আমন ধান প্রদর্শনীর রোপণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কল্যাণ কুমার সরকারের সভাপতিত্বে প্রধান হিসেবে অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর মুন্সীগঞ্জ জেলার উপ পরিচালক খুরশীদ আলম।

আরো উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোহাসিনা জাহান তোরণ, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসেন, এসিআই মটরস মার্কেটিং অফিসার সুব্রত চন্দ্র ধর, যন্ত্রের মালিক কৃষক হুমায়ুন কবির সাগর, ইছাপুরা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সুখন চৌধুর, কৃষক লিটন হোসেনসহ আরো অনেকে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর মুন্সীগঞ্জ জেলার উপ পরিচালক খুরশীদ আলম বলেন, ব্রি ধান ৪৯ ও বিনা ১১ জাতের রোপা আমন ধান এ বছর ৮ হেক্টর জমিতে রোপণ করা হবে। এছাড়া উন্নত বিশ্বে যান্ত্রিক প্রযুক্তির মাধ্যমেই কৃষিতে বিপ্লব সাধিত হয়েছে। দেরিতে ধান রোপণের ফলে বোরো, আমন ও আউশ মৌসুমে প্রতিদিনে হেক্টর প্রতি যথাক্রমে ৬০, ৫৫ ও ৯ কেজি ফলন কমে যায়। দেশের প্রায় শতকরা শত ভাগ ধানী জমি হাতে চারা রোপণের মাধ্যমে চাষাবাদ করা হয়ে থাকে এবং বীজ তলা থেকে চারা উঠানো ও জমিতে রোপণের জন্য ধান চাষে মোট খরচের প্রায় ৩০% ব্যয় হয়ে থাকে।

দেশে ধানের চারা রোপণের ভরা মৌসুমে ব্যাপকভাবে শ্রমিকের অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। শ্রমিক স্বল্পতার কারণে কৃষক বিলম্বে চারা রোপণ করতে বাধ্য হচ্ছে। ফলশ্রুতিতে আশানুরূপ ফলন না হওয়ায় শস্য উৎপাদন কমে যাচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় হচ্ছে যান্ত্রিক পদ্ধতিতে চারা রোপণ।

বার্তাবাজার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.