মুন্সীগঞ্জে চামড়া কিনে বিপাকে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা

মুন্সীগঞ্জের চামড়া ব্যবসায়ীরা কেনা চামাড়া নিয়ে দু:চিন্তায় পড়েছেন। ট্যানারি থেকে কোন সাড়া না পাওয়ায় কেনা চামাড়া নিয়ে বিপাকে তারা। ব্যবসায়ীরা বলছেন সরকারের নির্ধারিত দরে চামাড়া কেনা হয়েছে । কিন্তু লবনজাত করে সংরক্ষণে খরচ বাড়ছে। বিগত বছরগুলোতে ঈদের দিন থেকেই ট্যানারি মালিকরা চামড়া কেনার জন্য যোগাযোগ করে কিন্তু এবার তাদের কোন সারা মিলছে না। এবার অনেকে কোরবানি দেওয়ার পর চামড়া বিক্রি করতে না পারায়ও পড়েন বিপাকে। তাই সামান্য নামমাত্র মূল্যে অনেকে চামড়া বিক্রি করেন।

চামড়ার দাম কমে যাওয়ায় স্থানীয় মাদরাসা ও এতিমখানাগুলো যে আয় করে থাকে, তাদের আয় কমে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

স্থানীয় মো: আল আমিন বলেন, এবার চামড়া সংগ্রহে তেমন লোক পাইনি। ২শ টাকায় বিক্রি করি কোরবানির পশুর চামড়া। এদিকে এবার লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে বেশি চামড়া কেনা হয়েছে বলে জানান একাধিক ব্যবসায়ী। মাঠ পর্যায় থেকে বিভিন্ন দামে ক্রয় করে লবনজাত করে সংরক্ষণে বেশ খরচ হয়েছে তাদের। সরকার ঘোষিত নির্ধারিত মূল্যে বিক্রয় করতে পারলে লাভের মুখ দেখবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

আব্দুল্লাহপুরের চামড়া ব্যবসায়ী মো: আব্দুল হাই বেপারী বলেন, তুলনামূলক ভাবে এবার অনেক চামড়া সংগ্রহ করে লবনজাত সংরক্ষণে রাখা হয়। অনেক ব্যবসায়ী চামড়া সংরক্ষণে রেখেছেন। প্রথম কয়েকদিনে তেমন সাড়া পাওয়া যায়নি।তবে সরকার যে মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে সেই মূল্যে বিক্রয় করতে পারলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা লাভের মুখ দেখবেন বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।

জনকন্ঠ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.