পদ্মা পাড়ের তীর রক্ষা বাধ নির্মান প্রকল্প পাশ হওয়ায় লৌহজংয়ে আনন্দ উল্লাস

দীর্ঘ ৩১ বছর পর আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠেছে পদ্মা পাড়ের র্নিঘুম রাত কাটানো মানুষ গুলো। লৌহজং-টঙ্গীবাড়ি আসানের সংসদ অধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলির একান্তিক প্রচেষ্ঠায় লৌহজং-টঙ্গীবাড়ি তথা মুন্সিগঞ্জ বাসির দীর্ঘদিনের দাবি পুরুন করলেন জননেএী শেখ হাসিনা।

লৌহজং ও টঙ্গীবাড়ি উপজেলার নদী ভাঙ্গন রোধে ৪শ ৪৬ কোটি টাকা ব্যায়ে পদ্মা নদীর বাম তীর (উত্তর তীর) রক্ষায় স্থায়ী বাধঁ র্নিমানের একটি প্রকল্প গতকাল বুধবার একনেক সভায় পাশ করেছেন। এই বাধঁ নির্মানে লৌহজং ও টঙ্গীবাড়ি দুটি উপজেলার মানুষকে পদ্মা নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গন থেকে ভিটা বাড়ি রক্ষার জন্য বিশাল একটি পদক্ষেপ গ্রহন করায় পদ্মা পাড়ের হাজার হাজার মানুষ আনন্দ উল্লাস করছে।

লৌহজং উপজেলার বিভিন্ন যায়গায় মানীয় প্রধানমন্ত্রী জননেএী শেখ হাসিনা ও সাংসদ অধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলির জন্য দোয়ার আয়োজন করেছেন তারা। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো)।

উল্লেখ্য ১৯৯৩ সালে লৌহজং উপজেলার ভয়াবহ পদ্মা ভাঙ্গনের শিকার হয় এরমধ্যে ২টি ইউনিয়ন সম্পুর্ন ভাবে বিলীন হয়ে পদ্মার কড়াল গ্রাসে। বাকি ১০ টি ইউনিয়নের মধ্যে ভাঙ্গনের মুখে পড়ে কলমা ইউনিয়ন, গাওঁদিয়া ইউনিয়ন, ইছামতি নদীর ভাঙ্গনের শিকার খিদির পাড়া ইউনিয়ন, লৌহজং-তেউটিয়া ইউনিয়ন, কনকসার ইউনিয়ন, হলদিয়া, কুমারভোগ ও মেদিনীমন্ডল ইউনিয়ন। দীর্ঘ ৩০ বছরে পদ্মার ভাঙ্গনে লৌহজংয়ের মানচিএ থেকে হারিয়ে যায় বহু সরকারী ও বেসরকারী স্থাপনা। ফসলী জমি , খেলার মাঠ, ঘরবাড়ি সহ হাজারো বসত ভিটা।

গ্রামনগর বার্তা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.