মুন্সীগঞ্জে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর ভাঙচুর মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে গৃহহীন ও ভূমিহীনদের গৃহ প্রদান প্রকল্পের আওতায় মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার আধারা ইউনিয়নের আশ্রয়ণ প্রকল্পের নির্মানাধীন ঘর ভাঙচুরের অভিযোগে করা মামলার প্রধান আসামি আজাদ মুন্সীকে (৪২) গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) দিবাগত রাতে মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর উপজেলায় তার নিজ গ্রাম লক্ষীপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানায় সদর থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করলে মামলার আয়ু সদর থানার সাব-ইন্সপেক্টর আবুল বাশার তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। চিফ জুডিশিয়াল আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (ক্ষমতাপ্রাপ্ত) নাজনীন রেহানা রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে জেল গেটে এক দিনের জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন।

গ্রেপ্তারকৃত আসামি মৃত ওয়ালিউর রহমানের ছেলে। এর আগে গত ১৪ জুলাই (বুধবার) আধারা ইউনিয়নের আশ্রয়ণ প্রকল্পের নির্মাণাধীন ঘর ভাঙচুরের অভিযোগ এনে আজাদ মুন্সীকে প্রধান আসামি করে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে ইদ্রাকপুর এলাকার বাসিন্দা আনিসুর রহমানের ছেলে মো. সোলায়মান হোসেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- রয়েল (৩০) ও মোস্তফা (২৮)।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী সোলায়মান প্রকল্পের কাজ দেখাশোনার জন্য গত সোমবার (১২ জুলাই) ভাষাণচরের আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকায় গিয়ে দেখে মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা ৫টি নির্মাণাধীন ঘরের বারান্দার পিলার ভেঙে মাটিতে ফেলে রাখে। একই স্থানে সম্পন্ন হওয়া একটি ঘরের ওপরের অংশ ভেঙে ফেলে। এতে ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়।

এছাড়াও ৫ বান্ডিল টিন চুরি করে এবং নলকূপের ক্ষতি করে তারা। প্রকল্পের কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের কাজ না করার হুমকি ও হামলা চালায় মামলার আসামিরা। এজাহারে এমন অভিযোগ উল্লেখ করেন বাদী সোলায়মান। পরে শ্রমিক ও স্থানীয়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা পেলে জেলা প্রশাসনের পক্ষে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বাদী হয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর মহতী উদ্যোগ আশ্রয়ন।

এ ব্যাপারে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল বলেন, সরকারের এই মহতী উদ্যোগের ভাবমূর্তি ও সুনাম ক্ষুণ্নকারী যেই হোক তাদের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থান রয়েছে এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে সরকারের সুনাম ক্ষুণ্নকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

কালের কন্ঠ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.