মুন্সীগঞ্জে বড় লোকসানে আলু চাষীরা

পাইকারি বাজারে আলুর দাম পড়ে যাওয়ায় উৎপাদনের শীর্ষ জেলা মুন্সীগঞ্জে আলু ভিত্তিক অর্থনীতি হুমকিতে পড়েছে। পাইকারি আর খুচরা বাজারে তফাৎ। ভূক্তভোগীদের দাবী ফায়দা লুটছে মধ্যসত্ত্ব¡ভোগীরা। আর বড় ধরণের লোকসানের মুখে সংরক্ষণকারী কৃষক। মুন্সীগঞ্জে পাইকারি বাজারে পড়ে গেছে আলুর দাম। এতে হিমাগারে আলু সংরক্ষণ করে কৃষকরা বড় ধরণের লোকসানের মুখে পড়েছেন।

হিমাগারে সংরক্ষিত আলু পাইকারি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৩ টাকায়। অথচ সংরক্ষণে ব্যয় হয়েছে ১৮ থেকে ২০ টাকা। খুচরা বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা। পাইকারি আর খুচরা বাজারে তফাত ৭ থকে ১২ টাকা। চাষীদের দাবি, ফায়দা লুটছে মধ্যসত্ত্ব¡ভোগীরা। সংরক্ষণকারী কৃষক আমজাদ মিয়া বলেন, গেল বছর দাম বাড়ছিল, “সরকার রেট কইরা দিছে পাইকারি ২৭ টাকা কেজি। তয় এইবার রেট কইরা দেয় না কেন? কৃষকের প্রতি কী সরকারের দরদ নাই?” মো. ইব্রাহিম মিয়া বলেন, মধ্যসত্ত্ব¡ভোগী সিন্ডিকেটের কারণেই সংরক্ষণকারীরা দাম পাচ্ছে না।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. খুরশীদ আলম জানান, বাজার ব্যবস্থাপনা সঠিক জায়গায় নিয়ে আসা গেলে কৃষকের লোকসান কমিয়ে আনা সম্ভব । তিনি বলেন মুন্সীগঞ্জ জেলায় এবার ৩৭ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমিতে প্রায় ১৩ লাখ মেট্রিক টন আলু উৎপাদন হয়েছে। জেলার ৬৮ হিমাগারে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ মেট্রিক আলু সংরক্ষণ করা হয়।

জনকন্ঠ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.