মুন্সীগঞ্জে বাড়িঘর ভাঙচুর-লুট গুলিবিদ্ধ ৮

মুন্সীগঞ্জের চরাঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে শিশুসহ ৮ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। আহত হয়েছে আরও ১২ জন। এ সময় ২০টি বসতঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ আহত হনুফা বেগম (৫০) ও রিফাত নামের এক শিশুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের আনন্দপুর, লক্ষ্মীদিবি, নোয়াদ্দা, মুন্সীকান্দি, কংশপুরাসহ ৫/৬টি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মোল্লাকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রিপন হোসেন পাটোয়ারী এবং সাবেক চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা মহসিনা হক কল্পনা গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এ সময় সাবেক চেয়ারম্যান মহসিনা হক কল্পনার সমর্থকদের ২০টি বাড়িঘরে বর্তমান চেয়ারম্যান রিপন পাটোয়ারীর লোকজন ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।

প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানান, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পর থেকে রিপন পাটোয়ারীর সন্ত্রাসী বাহীনির অত্যাচারে অতিষ্ঠ ইউনিয়নের সাধারণ মানুষসহ সাবেক চেয়ারম্যান মহসিনা হক কল্পনার সর্মথকরা। তারই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাত থেকে বর্তমান চেয়ারম্যান রিপন পাটোয়ারীর লোকজন শনিবার সকাল পর্যন্ত ৫/৬টি গ্রামে ডুকে প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।

সাবেক চেয়ারম্যান মহসিনা হক কল্পনা বলেন, ‘বর্তমান চেয়ারম্যান রিপন পাটোয়ারীর সন্ত্রাসী বাহিনী রাতভর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে আমার কর্মী-সমর্থকদের বাড়িঘরে তাণ্ডব চালানোর পাশাপাশি লুটপাট চালায়। হামলাকারীরা নগদ টাকা, স্বর্ণ ও গবাদি পশু নিয়ে যায়।

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে রিপন পাটোয়ারী বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ ইউনিয়নকে অশান্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে একটি পক্ষ। তারা আমার কর্মী-সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে লুটপাট করেছে উল্টো আমার দোষ দিচ্ছে।’

এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক জানান, ঘটনার পর থেকে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

যুগান্তর

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.